হাবিবুর রহমান সুজন।
বাঘাইহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, মানবিকতা ও আদর্শ শিক্ষকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।
২৩ শে ডিসেম্বর ২০০৮ খ্রি.
বাঘাইহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম যোগদান
শিক্ষকতা তাঁর কাছে কেবল পেশা নয়—এটি এক ধরনের ব্রত, যেখানে জ্ঞানদানের পাশাপাশি মানুষ গড়ার অঙ্গীকারই মুখ্য।
ছাত্রবান্ধব ও বন্ধুসুলভ আচরণে তিনি শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করেছেন। পাহাড়ি ও বাঙালি—সব শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমান মমতা ও যত্নে তিনি গড়ে তুলেছেন এক অনন্য সেতুবন্ধন।
এই আন্তরিকতার ফলেই বিদ্যালয়জুড়ে তাঁর ব্যাপক সুনাম; শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে তিনি একজন নির্ভরতার নাম।
মানবিক কাজে তাঁর উদারতা সর্বজনবিদিত। অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া—এসবই তাঁর দৈনন্দিন অভ্যাস।
ধর্মীয় অনুশাসনে নিষ্ঠাবান, নামাজে যত্নশীল ও দানশীল এই শিক্ষক নৈতিকতার শিক্ষা দেন কাজের মাধ্যমে।
সহকর্মীরা বলেন, আবুল কালাম আজাদ এমন একজন শিক্ষক, যিনি শাসনে নয়—ভালোবাসা ও যুক্তিতে শিক্ষার্থীদের পথ দেখান। তাঁর ক্লাসে শেখার পরিবেশ প্রাণবন্ত; ভয় নয়, উৎসাহই সেখানে প্রধান অনুপ্রেরণা।
এক কথায়, আবুল কালাম আজাদ শুধু একজন শিক্ষক নন—তিনি শিক্ষার্থীদের বন্ধু, অভিভাবকসম মানবিক অভিভাবক এবং সমাজের জন্য এক নীরব আলোকবর্তিকা। তাঁর মতো শিক্ষকেরাই প্রজন্ম গঠনে সত্যিকারের ভূমিকা