অনলাইন ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে মানিক মিয়া এভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। যত দূর চোখ যায় মানুষ আর মানুষ।
জানাজা উপলক্ষে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই মানুষ আসতে শুরু করে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, মেট্রো রেলে রেকর্ডসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করছে জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য।
দুপুর ১টার দিকে সরেজমিনে রাজধানীর শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, খামারবাড়ি, খেজুরবাগান, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, আড়ং মোড়, ধানমণ্ডি ২৭ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতি। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ হেঁটে আসছে জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য। মানুষের চোখে-মুখে একজন আপসহীন দেশনেত্রীকে হারানোর বেদনা।
টাঙ্গাইল থেকে সন্তানকে নিয়ে জানাজায় এসেছেন রনি আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘প্রিয় নেত্রীর জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য ভোরে টাঙ্গাইল থেকে বাসে রওনা করি। শ্যামলী নেমে ছেলেকে নিয়ে হেঁটে জানাজায় আসতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, ‘কষ্ট হলেও নেত্রীর জানাজায় অংশ নিতে পারছি, এটিই আমার অনেক বড় পাওয়া।’
রাজশাহী থেকে এসেছেন সাগর মিয়া।
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তরুণ বয়সে একবার দেখা হয়েছিল। তিনি অত্যন্ত স্নেহ করতেন আমাকে। আমি জানাজায় অংশ নিতে গতকাল রাতেই রাজশাহী থেকে মেয়ের কল্যাণপুর বাসায় আসি। এরপর আজ ফজরের নামাজ পড়ে এখানে এসেছি। এত মানুষ আমার জীবনে আর কোনো জানাজায় দেখিনি।