1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
কেয়ামতের দিন ডানে-বামে যা দেখবে মানুষ - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মদ বিক্রেতা ও পানকারীদের প্রতি ইসলামের কঠোর বার্তা শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত সাভার স্বর্ণকলি আদর্শ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না : রিজওয়ানা বাগমারায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল রোয়াংছড়িতে এনসিপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। আমাদের বেতনের টাকা আসে স্পন্সর ও আইসিসি থেকে: মিরাজ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ই/সরায়েল ফটিকছড়িতে মনোনয়ন ফিরে পেলেন রবিউল হাসান তানজিম সবার দোয়া ও ভালবাসায় অভিনয় করে এগিয়ে যেতে চাই : অভিনেতা ইমরান হাসো

কেয়ামতের দিন ডানে-বামে যা দেখবে মানুষ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক

একবার কল্পনা করুন সেই দিনের কথা, যখন প্রতিটি মানুষ তার সৃষ্টিকর্তার সামনে একাকী দাঁড়াবে। সেদিন আল্লাহ ও তাঁর বান্দার মাঝে কোনো দোভাষী থাকবে না। সেই ভয়াবহ মুহূর্তের এক চিত্র তুলে ধরেছেন স্বয়ং আল্লাহর রাসুল (স.)।

আদী ইবন হাতিম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমাদের মাঝে এমন কোনো ব্যক্তি নেই যার সঙ্গে তার রব কেয়ামতের দিন কথা বলবেন না। তখন তার এবং তার রবের মাঝে কোনো অনুবাদকও থাকবে না। পরে সে তার ডান পাশে তাকাবে কিন্তু যা সে আগে করে পাঠিয়েছিল তা ছাড়া আর কিছুই সে দেখবে না।

এরপর সে তার বাম দিকে তাকাবে কিন্তু যা সে আগে করে পাঠিয়েছিল তা ছাড়া আর কিছুই সে দেখবে না। এরপর সে তার সামনের দিকে তাকাবে, সামনে তখন জাহান্নামকে পাবে সে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘একটি খেজুরের সামান্য অংশ দান করেও তোমাদের যে ব্যক্তি নিজেকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করতে পারে সে যেন তা করে।’ (ইবনু মাজাহ: ১৮৫)
এই হাদিসটি স্পষ্টভাবে বলছে, সেদিন আমাদের দুনিয়ার আমলগুলোই আমাদের সামনে দৃশ্যমান হবে।

যে আমলে ভারী হবে নেকীর পাল্লা
প্রশ্ন হলো, কীভাবে আমরা আমাদের ডান পাশের পাল্লাকে ভারী করব? রাসুলুল্লাহ (স.) এর জন্যও শিখিয়েছেন সহজ কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী একটি আমল।
একবার রাসুল (স.) ভোরে উম্মুল মুমিনিন জুয়াইরিয়া (রা.)-এর কাছ থেকে বেরিয়ে যান এবং বেশ কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখেন, তিনি তখনও তাঁর নামাজের স্থানে জিকিরে মগ্ন আছেন। তখন রাসুল (স.) বলেন, ‘আমি তোমার কাছ থেকে যাওয়ার পর চারটি বাক্য তিনবার পড়েছি। এই সময়ে তুমি যা পড়েছ, তার সঙ্গে ওজন করা হলে আমার বাক্যগুলোর ওজনই ভারী হবে।’

অতঃপর তিনি দোয়াটি পড়েন। দোয়াটি হলো- سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি আদাদা খালকিহি, ওয়া রিদা নাফসিহি, ওয়া যিনাতা আরশিহি, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি। অর্থ: আমি আল্লাহ তাআলার পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করছি- তাঁর সৃষ্টির সংখ্যা পরিমাণ, তাঁর সত্তার সন্তুষ্টির পরিমাণ, তাঁর আরশের ওজন পরিমাণ এবং তাঁর বাক্যগুলোর কালির পরিমাণ। (আবু দাউদ: ১৫০৩)

প্রথম হাদিসটি আমাদের চূড়ান্ত জবাবদিহিতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয় আর দ্বিতীয় হাদিসটি সেই দিনের প্রস্তুতির জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ার দান করে। এটি শেখায় যে, আন্তরিকতার সাথে অল্প সময়ে করা জিকিরও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে করা সাধারণ ইবাদতের চেয়ে ভারী হতে পারে। আল্লাহ আমাদের এমন আমল করার তাওফিক দিন, যা কেয়ামতের দিন আমাদের আনন্দিত করবে। আমিন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট