জিহাদুল ইসলাম (জিহাদ)
স্টাফ রিপোর্টার
কুমিল্লার লালমাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘুমন্ত যাত্রীদের নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ঢুকে পড়েছে
রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী ‘সামি জনি’ নামের একটি যাত্রীবাহি বাস।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোর ৫টায় কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের লালমাই উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বাসের ঘুমন্ত ৮/৯জন যাত্রী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সিএনজি চালক আবদুল হক জানান, দ্রুতগতির বাসটি হঠাৎ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বারান্দা ও দেয়াল ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে যায়। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটির ধাক্কায় অফিস সংলগ্ন দুইটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে ধুমড়ে-মুচড়ে যায়। খুঁটিতে থাকা একটি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে যায়।
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি–২ এর বাগমারা জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম)
মুহাম্মাদ সৌরাদ উদ্দিন সাদি বলেন, ভোরবেলা দ্রুতগতির বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আমাদের অফিসের সামনের বারান্দা ও দেয়াল ভেঙ্গে প্রথম কক্ষে ঢুকে পড়ে। এতে দুইটি খুঁটি ও একটি ট্রান্সফরমার নষ্টসহ অফিসের আসবাসপত্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খুঁটি ভেঙ্গে যাওয়ায় উপজেলা কমপ্লেক্স ও বাগমারা বাজারের ফিডারে ৯ ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিল না। তবে দুপুর ২টা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
লাকসাম ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। আহত বাসযাত্রীদের স্থানীয়রা লাকসাম হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা–নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ হলেও অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে বাগমারা বাজার ও শানিচোঁ বাজার অংশে ৪ লেনের গাড়ি ২ লেনে চলাচল করছে। ফলে প্রতিদিনই মহাসড়কের বাগমারা বাজার অংশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যাত্রী ও পথচারীরা।