1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
ভেনেজুয়েলার ভারি তেল যেভাবে খোলনচলে বদলে দেবে মার্কিন জ্বালানি খাত - সংবাদ এইসময়
মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

ভেনেজুয়েলার ভারি তেল যেভাবে খোলনচলে বদলে দেবে মার্কিন জ্বালানি খাত

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার ভারি তেল বদলে দেবে মার্কিনিদের ভাগ্য। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলের খনি এবং সেখান থেকে উৎপাদিত ‘ভারি’ ও ‘সাওয়ার’ (উচ্চ সালফারযুক্ত) অপরিশোধিত তেল মার্কিন রিফাইনারিগুলোর জন্য এক অভাবনীয় সুযোগ তৈরি করেছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর দেশটির তেল খাতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার যে প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র চালাচ্ছে, তাতে এই বিশেষ ধরনের তেলের গুরুত্ব এখন সবার নজরে।

বিশ্বে তেলের শত শত ধরন থাকলেও সান্দ্রতা এবং সালফারের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে এদের চাহিদা ভিন্ন হয়। সাধারণত হালকা ও মিষ্টি তেল প্রক্রিয়াকরণ সহজ হলেও ভেনেজুয়েলার তেল মূলত ভারি ও টক স্বাদের, যা জ্বালানি হিসেবে রূপান্তর করা বেশ ব্যয়বহুল ও জটিল।

ভেনেজুয়েলার কাছে বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম প্রমাণিত তেলের মজুদ রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল। এই মজুদের সিংহভাগই দেশটির ওরিনোকো তেল বেল্টে অবস্থিত। তবে দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং অবকাঠামোগত অবক্ষয়ের কারণে দেশটির উৎপাদন ক্ষমতা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।

১৯৭০-এর দশকে যেখানে দৈনিক উৎপাদন ছিল ৩৫ লাখ ব্যারেল, বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৯ লাখ ব্যারেলের নিচে। বিশ্লেষকদের মতে, এই খাতের পুনরুজ্জীবনে অন্তত ১১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে মার্কিন কোম্পানিগুলো সেখানে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে প্রস্তুত। যদিও নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে অনেক বড় প্রতিষ্ঠান এখনো দ্বিধাগ্রস্ত।

তবে তেল উত্তোলনকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে দ্বিধা থাকলেও মার্কিন রিফাইনারি বা তেল শোধনাগারগুলোর জন্য ভেনেজুয়েলার এই তেল অত্যন্ত লাভজনক। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও তাদের উৎপাদিত তেল মূলত ‘হালকা শ্লেল অয়েল’। কিন্তু টেক্সাস ও লুইজিয়ানার উপকূলীয় শোধনাগারগুলোর প্রায় ৭০ শতাংশই তৈরি করা হয়েছে ভারী তেল প্রক্রিয়াকরণের উপযোগী করে।

কয়েক দশক আগে যখন ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল সরবরাহকারী ছিল, তখন থেকেই এই শোধনাগারগুলো তাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিশেষ কারিগরি কাঠামোয় গড়ে তোলা হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেনেজুয়েলার ভারি তেলের সরবরাহ বাড়লে মার্কিন রিফাইনারিগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। বর্তমানে মার্কিন শোধনাগারগুলো কানাডা থেকে ভারি তেল আমদানি করে তাদের চাহিদা মেটাচ্ছে। কিন্তু ভেনেজুয়েলার তেল সাধারণত কানাডিয়ান তেলের তুলনায় সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যায়।

ফলে ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এবং ভেনেজুয়েলা থেকে তেলের প্রবাহ বাড়লে তা কেবল মার্কিন জ্বালানি নিরাপত্তাই নিশ্চিত করবে না, বরং শোধনাগারগুলোর মুনাফাও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

সূত্র: আল জাজিরা

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট