দৃঢ়তা ও সাহসী দোয়া। ছবি: সংগৃহীত
দোয়া করার সময় আমরা অনেকেই সংকুচিত হয়ে পড়ি—ছোট ছোট চাওয়া, অল্প আশা নিয়ে দোয়া করি। অথচ আমরা যার কাছে চাইছি, তিনি আসমান–জমিনের মালিক। তাই তো নবী সুলাইমান (আ.) আল্লাহর কাছে দৃঢ়তা ও সাহস নিয়ে দোয়া করেছিলেন। তাই আপনি যখন দোয়া করবেন, তখন সুলাইমান (আ.) এর মতো সাহস ও দৃঢ়তা নিয়ে চাইবেন। সুলাইমান (আ.) আল্লাহর কাছে কী দোয়া করেছিলেন?
নবী সুলাইমান (আ.)-এর দোয়াটি আল্লাহর কাছে পছন্দ হয়ে যায়। তাই তো তিনি উম্মতে মুহাম্মাদীর জন্য কুরআনুল কারিমে তা তুলে ধরেছেন। যেন উম্মতে মুহাম্মাদী এ ভাষায় আল্লাহর কাছে নিজের আকুতি তুলে ধরতে পারেন। তাহলো—
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَهَبْ لِي مُلْكًا لَا يَنبَغِي لِأَحَدٍ مِّن بَعْدِي ۖ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ
উচ্চারণ: ‘রাব্বিগফিরলি ওয়াহাবলি মুলকান লা ইয়ানবাগি লিআহাদিম মিমবাদি ইন্নাকা আংতাল ওয়াহ্হাব।’
অর্থ: ‘হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন এক রাজত্ব দান করুন যা আমার পর আর কারও জন্যই প্রযোজ্য হবে না। নিশ্চয়ই আপনি বড়ই দানশীল।’ (সুরা সোয়াদ: আয়াত ৩৫)
নবী সুলাইমান (আ.)-এর এ দোয়ার ফলে আল্লাহ শুধু শুনেই থেমে থাকেননি— তিনি তাকে দান করেছিলেন এমন এক রাজত্ব, যা ইতিহাসে অনন্য। আপনি তো কথা বলছেন মালিকের সঙ্গে। তাই সংকুচিত হবেন না, চাইলে বড় করেই তার কাছে চান। নিজের মনে কথা অজানা চাওয়াগুলো বড় করে চান। মন খুলে হৃদয় উজাড় করে চাইলে মহান আল্লাহর আলীশান দরবারে তা কবুল হবে।
আল্লাহ তাআলা সবাইকে তার মহান দরবারে দৃঢ়তা ও সাহসের সঙ্গে কুরআনে তুলে ধরা সুলাইমান (আ.) সেই দোয়ার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় চাওয়া ও আকাঙ্ক্ষাগুলো তুলে ধরার তৌফিক দান করুন। আমিন।