জিহাদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
২০২৬ সালে প্রস্তাবিত গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ‘হ্যাঁ ভোট’ ও ‘না ভোট’ নিয়ে আলোচনা। প্রচারপত্র ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নাগরিকদের উদ্দেশে জানানো হচ্ছে—দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের চাবিকাঠি এবার সাধারণ মানুষের হাতেই।
প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার পথ সুগম হবে। একই সঙ্গে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাবে এবং গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে।
এছাড়া ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে বলেও প্রচারে দাবি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রচারপত্রে বলা হয়েছে, ‘না’ ভোট দিলে এসব পরিবর্তন কার্যকর হবে না এবং বিদ্যমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামো বহাল থাকবে।
গণভোট সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে নাগরিকদের সরকারি ওয়েবসাইট ভিজিট করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি দেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
বিশ্লেষকদের মতে, এই গণভোটে জনগণের অংশগ্রহণ ও সচেতন সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে এগোবে।