সংবাদ এই সময় অনলাইন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড দেওয়ার নিয়ম অনলাইনে চালু করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে গাড়ির স্টিকার পেতে অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। সেখানে ১৪ হাজার সাংবাদিক নিবন্ধন করে। তবে, হঠাৎই ইসির ওই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট উন্মুক্ত হয়ে যায়। এতে করে সাংবাদিকদের দেওয়া সব তথ্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। পরে ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেওয়া হয় ইসির পক্ষ থেকে।
এই ঘটনার পরপরই বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাংবাদিকদের তথ্য ফাঁস নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি ইসি স্বীকারও করেছে। তারা বলছে, সাইটটি ডাউন করার সময় এমনটি ঘটেছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে ইসির pr.ecs.gov.bd ওয়েবসাইটটি উন্মুক্ত হয়ে যায়। ওই ওয়েবসাইটে বিকাল ৪টার পর কেউ লগইন করে ওয়েবসাইটে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই ১৪ হাজার সাংবাদিকের আবেদনের তালিকা হোম পেজে চলে আসে। হোম পেজে তালিকা আসার পাশাপাশি আবেদনকারীর নাম, এনআইডি নম্বর, মোবাইল নম্বর ও সম্পূর্ণ আবেদন ওপেন করার অপশনও পাওয়া যায়। তবে কিছু সময় পর আর ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যায়নি।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনে সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক সংবাদ এই সময় কে বলেন, “সাংবাদিকদের যে ওয়েবসাইট সেটি গত বৃহস্পতিবার বন্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু, পর্যবেক্ষকদের জন্য যে কার্ড সেটা চালু ছিলো। তো আজকে আমরা পর্যবেক্ষকের অপশনটি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য আমাদের আইটি টিমকে নির্দেশনা দিয়েছিলাম। ওরা এটা ডাউন করার সময় সার্ভারটি ওপেন করছে। ওপেন করে ডাউন করার সময় যে কয় মিনিট সময় লাগে সে সময়টাতে যারা সাইটে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে তারা প্রবেশ করে এডমিন প্যানেল দেখতে পেয়েছে। তো এডমিন প্যানেল দেখতে পারার কারণে কারো কারো মনে হয়েছে যে সাইট হ্যাক হয়ে গেছে বা তথ্য পাচার হয়ে গেছে। আর কিছু না।”
তিনি আরও বলেন, “সাইট তো বন্ধ। সাইটে কারো ঢোকার কোনও সুযোগ নেই। কোনও ডাটা লিক হওয়ার ও হ্যাক করার কোনও সুযোগ নেই।”