1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
শ্রীবরদীতে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা নিয়ে দ্বন্দ্ব - সংবাদ এইসময়
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

শ্রীবরদীতে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা নিয়ে দ্বন্দ্ব

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ জাকির ইসলাম, শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের শ্রীবরদীতে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা নিয়ে দুই পরিবারের মাঝে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার সিংগাবরুণা ইউনিয়নের কর্ণঝোড়া গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামানের মুক্তিযোদ্ধা ভাতা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। এঘটনায় বদিউজ্জামানের ভুক্তভোগী স্ত্রী মোছা. ছুহুরা খাতুন বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্রীবরদী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযোগ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ০৬ আগষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার নিউরো সাইন্স ইন্সটিটিউটে মৃত্যু বরণ করেন। যার গেজেট নং ৫৪৯ ও তারিখ- ২৭-০৬-২০০৫, মুক্তিবার্তা নং-(চূড়ান্ত তালিকার লাল বই) ০১১৪০২০৩৯২, ভারতীয় তালিকা- ১৬৭৫৪। মৃত্যুকালে তিনি এক স্ত্রী ও এক পুত্র সন্তান রেখে গেছেন। এব্যাপারে স্ত্রী মোছা. ছুহুরা খাতুন বলেন, আমার স্বামী মারা যাওয়ার পূর্বে বলে গেছেন আমার পুত্র ও আমি ছাড়া তার আর কোন ওয়ারিশ নেই। তাই তাঁর সকল কাগজপত্র আমার কাছে রেখে গেছেন। কিন্তু মারা যাওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধা ভাতা’র ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য আমার স্বামীর সকল কাগজপত্র সিংগাবরুণা ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলামের কাছে হস্তান্তর করি। পরে ভাতা উত্তোলনের সময় জানতে পারি একই গ্রামের সহিতন নামে এক নারীর নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। সহিতন অনৈতিক উপায়ে স্থানীয় কাজীর নিকট থেকে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে ভাতাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সহিতন সিংগাবরুণা ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের কাদের মিয়ার স্ত্রী। বর্তমানে সহিতন কাদের মিয়ার বাড়িতে বসবাস করছেন।
এতে করে আমি ও আমার সন্তান আমার স্বামী মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান এর প্রাপ্য ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমি এঘটনার সুষ্ঠ সমাধান দাবী করছি।
স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা সুরুজ্জামান বলেন, মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান স্থানীয় কাদের মিয়ার স্ত্রী সহিতনকে বিয়ে করেছিলো। কিছুদিন পর সহিতন আবার কাদেরের বাড়িতে চলে যায়। এখনো কাদেরের বাড়িতেই আছে। তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন আছে কিনা, তা তদন্তের মাধ্যমে সঠিক জানা যাবে।
এব্যাপারে সহিতন বলেন, আমাকে বদিউজ্জামান বৈধভাবে বিবাহ করেছে। যার কাবিননামা আমার কাছে আছে। কাজী মাওলানা ইসমাইল হোসেন বলেন, তাদের বিয়ের তথ্য আমার নিকাহ রেজিষ্ট্রারে লিপিবদ্ধ আছে। 
সিংগাবরুনা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বলেন, মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান বেশ কয়েকটি বিয়ে করেছিলো। কিন্তু তাদের কোন কাগজপত্র নেই। সহিতনের বিয়ের কাবিননামা থাকায় ভাতাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে কাজীর নিকাহ রেজিস্ট্রারের সাথে সহিতন’র স্বাক্ষরের কোনো মিল পাওয়া যায় নাই।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। স্থানীয় চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট