রাজু ভূঁইয়া,
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয় কেন্দ্র নির্মান প্রকল্পটি অব্যহত রাখতে এলাকা বাসির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান ওয়ার্ল্ড ব্যাংক অর্থায়নে, বাংলাদেশ সরকার কতৃক স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের রিভার প্রজেক্ট আওতাধীন, অনান্য জেলার সাথে সুনামগঞ্জ জেলাধীন ধর্মপাশা উপজেলার রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মান বরাদ্দ করে। উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করার জন্য মোঃ জুনাইদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি “প্রজেক্ট ডিরেক্টর” বরাবরে গত ২৪/০২/২০২৬ইং তারিখে একটি আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আশ্রয় কেন্দ্রটি নির্মান হলে বিদ্যালয়ের খেলাধুলার মাঠ নষ্ট হবে। প্রকৃত পক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে কোন খেলাধুলার মাঠের ব্যবস্থা নেই বরং আশ্রয় কেন্দ্র নির্মান হলে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভেঙ্গে খেলাধুলার মাঠের ব্যবস্থা করা যাবে যা এখন পরিথ্যাক্ত। তিনি আবেদনে আরও উল্লেখ করেন যে, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আশ্রয় কেন্দ্র নির্মান হলে ছাত্র/ছাত্রীর ও পাশ্ববর্তী মহল্লার চলাচলের একমাত্র সরকারি রাস্তাটি বিনষ্ট হবে। প্রকৃত পক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রেকর্ডীয় ভূমিতে আশ্রয় কেন্দ্র নির্মান হলে রাস্তার কোন প্রকার ক্ষতি হবে না। তিনি আবেদনে আরও উল্লেখ করেন যে বিদ্যালয়ের রেকর্ডীয় (বি.এস) ৩২৬২ দাগের ভূমি ত্রুটিযুক্ত, তাই অত্র ভূমি পরিবর্তনে এবং অন্য গ্রামে উনার পছন্দনীয় নিজস্ব ভূমিতে আশ্রয় কেন্দ্রটি নির্মান করে সমস্যা সমাধানের প্রস্তাব করেছেন।
প্রকৃত পক্ষে অভিযোগকারী মোঃ জুনাইদ চৌধুরী রাজাপুর গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করে না বলে এই গ্রামে তার কোন ঘর বাড়ী নেই। তাই অনেক মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন হতে আশ্রয় কেন্দ্রটি সরিয়ে বিদ্যালয় থেকে প্রায় ০৫কিঃমিঃ (পাছ) কিলোমিটার দূরে তার ব্যক্তিগত ভূমিতে স্থানান্তর করার পায়তারা করছেন।
এলাকাবাসি সাংবাদিকদের আরও জানান যে “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের” স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী,নির্বাহী প্রকৌশলী ও স্থানীয় প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে, এই রাজাপুর গ্রামের সর্বস্তরের জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে, আশ্রয় কেন্দ্রটি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নির্মান অব্যহত রাখার আবেদন জানান। তারি সাথে সাথে এই ধরনের চক্রান্তকারী স্বার্থবাদীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন এলাকা বাসি। ভবিষ্যতে আবাহমান বাংলার জনগণের সাথে এমন চক্রান্ত যেন না করতে পারে সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখার আবেদন জানান।