1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
ব্যাংকে চাকরির টাকায় জীবিকা নির্বাহ কি হালাল? - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন

ব্যাংকে চাকরির টাকায় জীবিকা নির্বাহ কি হালাল?

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

ইসলামে জীবিকা উপার্জন করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা এবং পরিস্কার নির্দেশনা রয়েছে। যেকোনো উপার্জন শুধুমাত্র হালাল উপায়ে হওয়া উচিত এবং কোনোক্রমে হারাম উপার্জন করা উচিত নয়। ব্যাংকে চাকরি করার ক্ষেত্রে তা যদি সুদী কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তবে সে উপার্জন হালাল নয়, বরং হারাম হবে।

কুরআন ও হাদিসের আলোকে

ইসলামে সুদ (রিবা) অত্যন্ত কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সুদী ব্যবসায় অংশগ্রহণ করা, সুদ গ্রহণ করা বা সুদ দেওয়া সবই হারাম। বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থা, বিশেষ করে যে ব্যাংকগুলো সুদী কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেখানে কর্মরত লোকেরা যদি সুদী লেনদেনের মধ্যে জড়িত থাকেন, তবে তাদের উপার্জন হারাম বলে বিবেচিত হবে।

কুরআনের নির্দেশনা

আল্লাহ তাআলা কুরআনে সুদী লেনদেনের ব্যাপারে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। কুরআনে এসেছে-

اَلَّذِیۡنَ یَاۡكُلُوۡنَ الرِّبٰوا لَا یَقُوۡمُوۡنَ اِلَّا كَمَا یَقُوۡمُ الَّذِیۡ یَتَخَبَّطُهُ الشَّیۡطٰنُ مِنَ الۡمَسِّ ؕ ذٰلِكَ بِاَنَّهُمۡ قَالُوۡۤا اِنَّمَا الۡبَیۡعُ مِثۡلُ الرِّبٰوا ۘ وَ اَحَلَّ اللّٰهُ الۡبَیۡعَ وَ حَرَّمَ الرِّبٰوا

‘যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়। এটা এ জন্য যে, তারা বলে, বেচা-কেনা সুদের মতই। অথচ আল্লাহ বেচা-কেনা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন।’ (সুরা আল-বাকারা: ২৭৫)

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَاۡكُلُوا الرِّبٰۤوا اَضۡعَافًا مُّضٰعَفَۃً ۪ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ

‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা দ্বিগুণের উপর দ্বিগুণ সুদ ভক্ষণ করনা এবং আল্লাহকে ভয় কর যেন তোমরা সুফল প্রাপ্ত হও।’ (সুরা আল-ইমরান: আয়াত ১৩০)

ইসলামে দত্তক বা পালক সন্তানের সামনে পর্দার বিধান কী?
পুরুষদের জন্য স্বর্ণ ব্যবহারে বিষয়ে ইসলাম কী বলে?
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللّٰهَ وَ ذَرُوۡا مَا بَقِیَ مِنَ الرِّبٰۤوا اِنۡ كُنۡتُمۡ مُّؤۡمِنِیۡنَ فَاِنۡ لَّمۡ تَفۡعَلُوۡا فَاۡذَنُوۡا بِحَرۡبٍ مِّنَ اللّٰهِ وَ رَسُوۡلِهٖ ۚ وَ اِنۡ تُبۡتُمۡ فَلَكُمۡ رُءُوۡسُ اَمۡوَالِكُمۡ ۚ لَا تَظۡلِمُوۡنَ وَ لَا تُظۡلَمُوۡنَ

‘হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং বাকী সূদ ছেড়ে দাও, যদি তোমরা ঈমানদার হও। অতঃপর যদি না ছাড় তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নিকট হতে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে লও। কিন্তু যদি তোমরা তাওবাহ কর, তবে তোমরা তোমাদের মূলধন পাবে, এতে তোমাদের দ্বারা অত্যাচার হবে না, আর তোমরাও অত্যাচারিত হবে না।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ২৭৮-২৭৯)

হাদিসের আলোকে

সুদের সাথে সম্পৃক্ত যে কোনো চাকরি হোক, ব্যাংক বা ব্যাংকের বাহিরে হোক, এটা করা ঠিক না। কেননা, হাদিসের মধ্যে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহর অভিশাপ থাকবে, সুদ যে নেয়, যে দেয়, যে লিখে এবং সুদের যে সাক্ষী থাকে, এই চার ব্যক্তির উপর। সুদী ব্যাংক বা সুদী কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে থাকা অথবা তাদের সহযোগিতা করে, এমন প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করাই উত্তম।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন-

لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم آكِلَ الرِّبَا وَمُوكِلَهُ وَشَاهِدَيْهِ وَكَاتِبَهُ

‘রাসূলুল্লাহ (সা.) সুদখোর, সুদ দাতা, সুদের সাক্ষীদ্বয় ও সুদের (চুক্তি বা হিসাব) লেখককে অভিসম্পাত করেছেন।’ (তিরমিজি ১২০৬)

সুদ এতই জঘন্য আপরাধ যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সুদের ৭২টি আপরাধ রয়েছে, তার মধ্যে নূন্যতম আপরাধ হলো, মায়ের সঙ্গে জেনা করার মতো। এই জন্য প্রত্যেক মুমিনের হালাল উপায়ে চাকরির জন্য চেষ্টা করা উচিত।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যারা সুদ খায়, তারা কেবল তাদের পেটকে আগুনে পূর্ণ করে।’ (মুসলিম ১৫৯৮)

রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘সুদ একটি কুকর্ম, যা ব্যক্তির ঈমানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।’ (বুখারি ৩০৫৮)

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট