মো. নিজাম উদ্দিন, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
সংগৃহীত ছবি
লক্ষ্মীপুর: সবুজে ঘেরা প্রকৃতির মাঝে টানেল সাদৃশ্য একটি সৃজনশীল মসজিদ। যেটি নজর কাড়ছে মুসল্লিসহ স্থানীয়দের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবাদে মসজিদটির ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে। দূরদূরান্ত থেকে মসজিদটি দেখতে আসছে অনেকে।
টানেল সাদৃশ্য হওয়ায় মসজিদটি পরিচিতি পেয়েছে ‘টানেল মসজিদ’ হিসেবে।
নান্দনিক এ মসজিদটির অবস্থান লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালালবাজার ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামে।
সবুজ প্রকৃতির মাঝে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন ওই গ্রামের ফরহাদ হোসেন নেহাল চৌধুরী নামে একজন শিল্পপতি। মসজিদের নাম দেওয়া হয় ‘বাইতুল মামুর মসজিদ’। একসঙ্গে ৪০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন এই মসজিদটিতে।
ভিম-কলাম ছাড়াই নির্মাণকৃত মসজিদটির তিন পাশে সবুজে ঘেরা, পশ্চিম পাশে পুকুর। মসজিদটির পূর্ব এবং পশ্চিম অংশে শুধুমাত্র কাঁচ ব্যবহার করা হয়েছে। পুকুরের কিনারায় হওয়ায় স্বচ্ছ পানিতে দেখা যায় মসজিদটির প্রতিচ্ছবি। আর রাতে মসজিদের ভেতরের বাতির আলো কাঁচ ভেদ করে সৌন্দর্য দ্বিগুণ করে তোলে। পানির নিচ থেকেও মসজিদের আলোর প্রতিফলনের কারণে সেই সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তোলে।
স্থানীয়রা জানায়, শিল্পপতি নেহাল চৌধুরী ২০২১ সালে মহাদেবপুর গ্রামে তার বাড়ির সামনে মসজিদটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন। রাজধানীর একটি প্রতিষ্ঠান মসজিদের ডিজাইন করে। এখনো পর্যন্ত মসজিদের ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তবে পুরো কাজ শেষ হতো সময় লাগবে। পুরো কাজ শেষ হলে এর সৌন্দর্য বাড়বে আরও বহুগুণ। জেলাজুড়ে এর আগে এমন স্থাপনা দেখেনি কেউ।
মসজিদ কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম মুরাদ বলেন, মসজিদের কাজ এখনো শেষ হয়নি। ৬০ শতাংশ কাজ হয়েছে, এখনো ৪০ শতাংশ কাজ বাকি আছে। পুরো কাজ শেষ হলে সৌন্দর্যের দিক দিয়ে অন্যতম হবে এ মসজিদটি।