লাইফস্টাইল ডেস্ক।
ছবি: সংগৃহীত
অনেকেরই ব্যস্ততার কারণে রাতের খাবার খেতে দেরি হয়ে যায়। নিয়মিত রাতের খাবার দেরি করে খাওয়ার ফলে শরীরে নানান সমস্যা তৈরি হতে পারে। যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দেরি করে খাবার খেলে আপনার শরীর খাবার প্রক্রিয়াকরণের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসতে পারে। ঘুমানোর আগে খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, চর্বি জমা এবং সার্কাডিয়ান ছন্দে প্রভাব পড়তে পারে, যার ফলে ওজন বৃদ্ধি, ঘুমের ব্যাঘাত এবং কিছু বিপাকীয় সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
মাসের পর মাস, এই প্রভাবগুলো আরও জটিল হতে পারে, যা আপনার দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যের ওপর এমনভাবে প্রভাব ফেলতে পারে যে আপনি তাৎক্ষণিকভাবে লক্ষ্য করবেন না।
*** বেশি রাত করে খাওয়া দাওয়া করলে কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস, হাই ব্লাড প্রেশার, সুগার, স্থূলতা এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
*** অনেকেই রাতে দেরি করে খাওয়া দাওয়া করে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়েন। এর ফলে একদিকে যেমন বদহজমের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে, অন্যদিকে তেমন মোটা হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।
*** দিনের পর দিন বেশি রাতে খাওয়া দাওয়া করলে হাই ব্লাড প্রেশার, ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
*** রাতে দেরিতে খাওয়া দাওয়া করলে ঘুমের সমস্যাও দেখা দেয়। যে কারণে পরের দিন মাথা ধরে থাকা, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়াও বেশি রাতে খাওয়া দাওয়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের জন্যও ক্ষতিকর।
*** রাতে দেরি করে খেলে দেহে ফ্রি রেডিক্যাল বেড়ে গিয়ে কোষের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়। এ ছাড়া এতে রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা কমে যায়, ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
*** রাতে দেরি করে খেলে বৃদ্ধিজনিত হরমোনের উৎপাদন ব্যাহত হয়। এতে বিপাকের বিঘ্ন ঘটে শরীরের লাবণ্য নষ্ট হয়।
তাই শরীরের বিভিন্ন সমস্যা থেকে বাঁচতে রাত ৯টার মধ্যে খাওয়া দাওয়া করে নিতে হবে। রাতে মদ, ক্যাফেইন জাতীয় খাবার খাওয়া এড়াতে হবে। তাড়াতাড়ি খাওয়ার জন্য মাঝরাতে খিদে পেলে হালকা কিছু খেয়ে নিতে পারেন।