অনলাইন ডেস্ক
শরীরের স্বাভাবিক কার্যাবলী ঠিক রাখতে হরমোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইন্সুলিন, ইস্ট্রোজেন, ডোপামিন, এফএসএইচ, টিএসএইচ ইত্যাদি জৈবিক রাসায়নিক উপাদান মেজাজ, চুলের বৃদ্ধি, ওজন, প্রজনন ক্ষমতা, মানসিক অবস্থা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে। অনেকেই শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে নিয়মিত ওষুধ খান। তবে এসব ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আরও বড় বিপদের ঝুঁকি বাড়ে। চাইলে প্রাকৃতিক উপায়েও হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। যেমন-
মানসিক চাপ কমানোর জন্য অশ্বগন্ধা
অশ্বগন্ধা এমন একটি ভেষজ যা কর্টিসলের মাত্রা কমাতে ,থাইরয়েড এবং অ্যাড্রিনাল স্বাস্থ্য ভালো রাখতে উপকারী। এসব হরমোন মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে, সেই সঙ্গে প্রজনন হরমোন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য শতভরী
শতবরী ইস্ট্রোজেনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পিরিয়ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। যেসব নারী অনিয়মিত পিরিয়ড , পিএমএস এবং মেনোপেজের লক্ষণে ভূগছেন তারা নিয়মিত শতবরী খেতে পারেন।
যোগব্যায়াম এবং প্রাণায়াম
ভুজঙ্গাসনের মতো যোগব্যায়াম এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।
আয়ুর্বেদিক খাদ্যাভ্যাস
শস্যদানা, মৌসুমি শাকসবজি, তাজা ফল, ঘি এবং ভেষজ চা সমৃদ্ধ খাবার শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। প্রক্রিয়াজাত এবং ভাজা খাবার এড়িয়ে চললে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক থাকবে।
দারুচিনি এবং মৌরি দিয়ে ভেষজ চা
দারুচিনি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে, অন্যদিকে মৌরি বীজ হজমে সাহায্য করে এবং পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এসব বীজ হরমোনের ভারসাম্য এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
পর্যাপ্ত ঘুম
আয়ুর্বেদ শরীরের সার্কাডিয়ান ছন্দ অনুসরণ করার উপর জোর দেয়। তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া, সূর্যোদয়ের সাথে ঘুম থেকে ওঠা এবং নিয়মিত খাবারের সময় বজায় রাখা হরমোন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।