জীবনযাপন ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
রান্না থেকে শুরু করে শীতকালে ত্বক পরিচর্যায় সরিষার তেলের ব্যবহার বহুদিনের। একসময় চুলের যত্নেও নিয়মিত ব্যবহৃত হতো এই তেল। তবে বর্তমানে মাথায় সরিষার তেল মাখার প্রবণতা কমে এসেছে।
কেশসজ্জা বিশেষজ্ঞদের মতে, সরিষার তেলের ঘনত্ব তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেকেই এটি ব্যবহার করতে অস্বস্তি বোধ করেন।
তবে বিশেষজ্ঞদের দাবি, চুলের বৃদ্ধি ও স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সরিষার তেল এখনো সমান কার্যকর। শুধু তাই নয়—কয়েকটি প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে ব্যবহার করলে এর উপকারিতা আরো বাড়ে।
কারিপাতা
দক্ষিণী রান্নায় প্রচলিত কারিপাতা সরিষার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ফুটিয়ে স্ক্যাল্পে লাগালে সামগ্রিকভাবে চুলের স্বাস্থ্য উন্নত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি অকালপক্বতা প্রতিরোধ করে এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় কার্যকর ভূমিকা রাখে।
জবাফুল
জবাফুল দীর্ঘদিন ধরেই চুলে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সরিষার তেলে জবাফুল ফুটিয়ে ব্যবহার করলে অকালে চুল পেকে যাওয়া, খুশকি ও চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
কালোজিরা
কালোজিরায় থাকা ফ্যাটি এসিড ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট স্ক্যাল্প পুষ্টি জোগায় এবং স্ট্রেসজনিত চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। সরিষার তেলে কালোজিরা ফুটিয়ে মাখলে অকালে চুল পাকা প্রতিরোধেও ভালো কাজ করে।
পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজের রসে সালফার থাকায় অনেকের স্ক্যাল্পে অ্যালার্জি হতে পারে। তবে সরিষার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে অ্যালার্জির ঝুঁকি কমে এবং পেঁয়াজের তীব্র গন্ধও হালকা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করলে এটি চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
মেথি
প্রাচীনকাল থেকেই চুলের যত্নে ব্যবহৃত মেথি খুশকি ও চুল পড়া কমায় এবং চুলের গোড়া শক্ত করে। স্ক্যাল্প সংবেদনশীল হলে মেথি তুলনামূলক নিরাপদ।
সরিষার তেলে মেথি ফুটিয়ে ব্যবহার করলে এর উপকারিতা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
সূত্র : এই সময়