1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
নবীজিকে (সা.) যে গুণে রঙিন হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ - সংবাদ এইসময়
মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

নবীজিকে (সা.) যে গুণে রঙিন হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

মানুষের চরিত্রের সৌন্দর্য অনেক রঙে রঙিন—কারও বিনয়ী আচরণ, কারও কোমল হৃদয়, কারও দয়ার স্পর্শ। কিন্তু এসবের চূড়ায় যে গুণটি সবচেয়ে উজ্জ্বল, সবচেয়ে মূল্যবান এবং সর্বাধিক সম্মানজনক—তা হলো ক্ষমাশীলতা। ক্ষমাশীল ব্যক্তি পৃথিবীতে সৌন্দর্য ছড়িয়ে দেয়, মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয় এবং আল্লাহর বিশেষ রহমতের ছায়া লাভ করে। এই কারণেই আল্লাহ তাআলা তার সবচেয়ে প্রিয় বান্দা, আমাদের নবীজিকে (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন—

خُذِ الۡعَفۡوَ وَ اۡمُرۡ بِالۡعُرۡفِ وَ اَعۡرِضۡ عَنِ الۡجٰهِلِیۡنَ

(হে নবি!) আপনি ক্ষমাশীলতার নীতি অবলম্বন করুন। সৎ কাজের নির্দেশ দিন এবং মূর্খদেরকে এড়িয়ে চলুন।’ (সুরা আরাফ: আয়াত ১১৯)

ক্ষমা শুধু এক মানবিক গুণ নয়; বরং আল্লাহ তাআলার নিজস্ব মহানাত্মক গুণ, যা তিনি পছন্দ করেন এবং তাঁর নিকটবর্তী বান্দাদের মাঝে দেখতে চান। কারণ এই তিন গুণ মানুষকে আল্লাহর নিকট সম্মানিত করে, সমাজে মর্যাদা বাড়ায় এবং অন্তরকে প্রশান্তির স্বাদ দেয়। এ কারণেই কুরআন-হাদিসে মানুষকে বার বার তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা নির্দেশ ও উপদেশ দিয়েছেন। এ একটি গুণেই মানুষ ইজ্জত ও সম্মানের অধিকারী হন।

নবীজিও (সা.) আল্লাহর এ বিশেষ গুণে নিজেকে রঙিন করেছেন, তার উম্মতকে রঙিন হওয়ার উপদেশ দিয়েছেন। যদি কেউ বিনয় ও নম্রতা অবলম্বন করে এবং কেউ অন্যায় করলে তাকে ক্ষমা করে তবে মহান আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির মর্যাদা ও ইজ্জত বাড়িয়ে দেন। হাদিসে এসেছে-

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

مَا نَقَصَتْ صَدَقَةٌ مِنْ مَالٍ وَمَا زَادَ اللَّهُ عَبْدًا بِعَفْوٍ إِلاَّ عِزًّا وَمَا تَوَاضَعَ أَحَدٌ لِلَّهِ إِلاَّ رَفَعَهُ اللَّهُ

‘সাদাকা করলে সম্পদের ঘাটতি হয় না। যে ব্যক্তি ক্ষমা করে আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। আর কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনীত হলে তিনি তার মর্যাদা উঁচুতে তুলে দেন।’ (মুসলিম ৬৩৫৬ ইফা)

ক্ষমা এমন একটি মহান গুণ যা মানুষের সম্মান বাড়িয়ে দেয়। আল্লাহর কাছে তারা সৎকর্মশীল বান্দা হিসেবে পরিচিত। আল্লাহ নিজেই ক্ষমাশীল। তিনিও ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। ক্ষমা করার মতো সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের কথা কুরআনে তুলে ধরে মহান আল্লাহ বলেন-

الَّذِیۡنَ یُنۡفِقُوۡنَ فِی السَّرَّآءِ وَ الضَّرَّآءِ وَ الۡکٰظِمِیۡنَ الۡغَیۡظَ وَ الۡعَافِیۡنَ عَنِ النَّاسِ ؕ وَ اللّٰهُ یُحِبُّ الۡمُحۡسِنِیۡنَ

‘যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় দান করে, রাগ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে থাকে। আর আল্লাহ (বিশুদ্ধচিত্ত) সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১৩৪)

উচ্চ মর্যাদার একটি আমল— ক্ষমা

ক্ষমা এমন একটি গুণ, যা শুধু মানুষের ভুলকে ঢেকে দেয় না; বরং ক্ষমাকারী ব্যক্তির মর্যাদাকে আকাশের মতো উচ্চ করে তোলে। ক্ষমা মানুষকে ছোট করে না—উল্টো সম্মানকে বাড়িয়ে দেয়। কারণ এটি আল্লাহর প্রিয় গুণ এবং তার কাছাকাছি বান্দাদের অন্যতম পরিচয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট