1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
বায়ুদূষণে বাড়ছে ত্বকের সমস্যা, জেনে নিন করণীয় - সংবাদ এইসময়
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন

বায়ুদূষণে বাড়ছে ত্বকের সমস্যা, জেনে নিন করণীয়

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

জীবনযাপন ডেস্ক

সংগৃহীত ছবি

রোদ থেকে বাঁচতে আমরা নানা উপায় অবলম্বন করি ঠিকই, কিন্তু ত্বকের ক্ষতি শুধু সূর্যালোক থেকে হয় না, শীতকালে বাড়তে থাকা বায়ুদূষণও ত্বকের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। অনেক সময় এই ক্ষতির মাত্রা সূর্যের প্রভাবের চেয়েও বেশি হতে পারে। তাই শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় দূষণের কারণে ত্বকের ক্ষতি কিভাবে হয় এবং কিভাবে তা কমানো যায়, তা জানা খুব জরুরি।

চলুন, জেনে নিই দূষণে ত্বকের ক্ষতি হয় যেভাবে।

রন্ধ্রপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া
বাতাসে থাকা ধুলা, ধোঁয়া এবং নানা দূষিত কণা ত্বকের ওপর জমে সিবাম ও ঘামের সঙ্গে মিশে রন্ধ্রপথ আটকে দেয়। এতে ব্রণ, ফুসকুড়ি, ব্ল্যাকহেডসের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া
দূষিত বাতাসের ক্ষুদ্র কণা ত্বকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল তৈরি করে, যা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখা কোলাজেন ও ইলাস্টিন নষ্ট করে। ফলে ত্বক ঝুলে যায়, বলিরেখা দেখা দেয়, হয়ে ওঠে শুষ্ক ও নিস্তেজ।

ত্বকে প্রদাহ বৃদ্ধি
বায়ুদূষণ ত্বকের জ্বালা ও প্রদাহ বাড়িয়ে এগজিমা, সোরিয়াসিস, রোসেসিয়ার মতো চর্মরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর দুর্বল হওয়া
ত্বকে থাকা প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষামূলক স্তর দূষণের প্রভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে যদি শরীরে পানিশূন্যতা যোগ হয়, তবে স্তরটি সহজেই ভেঙে যায়, ফলে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ত্বকে কালচে দাগ পড়া
ধুলো–ধোঁয়া মেলানিন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বকে কালচে দাগ বা রঙের অসমতা তৈরি করতে পারে।

অ্যন্টি-অক্সিড্যান্ট কমে যাওয়া
দীর্ঘসময় দূষিত পরিবেশে থাকলে ত্বকের স্বাভাবিক অ্যান্টি–অক্সিড্যান্ট, বিশেষ করে ভিটামিন ই–এর পরিমাণ কমে যেতে পারে, যা ত্বককে দুর্বল করে তোলে।

ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল হওয়া
গাড়ি ও কারখানার ধোঁজায় থাকা নাইট্রোজেন ডাই–অক্সাইড, সালফার ডাই–অক্সাইডের মতো গ্যাস ত্বকের ওপর প্রভাব ফেললে র‍্যাশ, লালচেভাব ও ফুসকুড়ির ঝুঁকি বাড়ে; ত্বক হয়ে পড়ে অতি সংবেদনশীল ও সংক্রমণপ্রবণ।

কিভাবে এই ক্ষতি কমাবেন?

নিয়মিত মুখ পরিষ্কার করুন
বাইরে থেকে ফিরে অবশ্যই মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিন। দিনে অন্তত দু’বার মুখ পরিষ্কার করুন। সম্ভব হলে অয়েল–বেসড ও ওয়াটার–বেসড; এভাবে ডবল ক্লিনজিং করতে পারেন।

অ্যান্টি–অক্সিড্যান্ট ব্যবহার করুন
মুখে অ্যান্টি–অক্সিড্যান্টসমৃদ্ধ সেরাম বা লোশন লাগান। গ্রিন টি-ও ব্যবহার করতে পারেন।

ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
প্রতি বার মুখ ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বকের সুরক্ষা স্তর অটুট থাকে।

অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
বাইরে যাওয়ার আগে অন্তত এসপিএফ ৩০ সানস্ক্রিন লাগান। অতিবেগুনি রশ্মি দূষণের ক্ষতি আরো বাড়িয়ে দেয়।

সপ্তাহে ১–২ বার এক্সফোলিয়েট করুন
ঘরোয়া উপায় বা স্ক্রাব দিয়ে মৃত কোষ দূর করুন।

মাস্ক ব্যবহার করুন
বাইরে থাকলে ধুলো–ধোঁয়া থেকে ত্বক বাঁচাতে মাস্ক সহায়ক হতে পারে।

বেশি পানি ও পুষ্টিকর খাবার খান
প্রচুর পানি পান করুন এবং ভিটামিন ও অ্যান্টি–অক্সিড্যান্টসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।

সূত্র : আনন্দবাজার

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট