1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
এই প্রথম মঙ্গল গ্রহে বজ্রপাতের শব্দ রেকর্ড করল নাসা - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিল্কিওয়েতে সাদা নক্ষত্রের অদ্ভুত আচরণে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা মদ বিক্রেতা ও পানকারীদের প্রতি ইসলামের কঠোর বার্তা শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত সাভার স্বর্ণকলি আদর্শ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না : রিজওয়ানা বাগমারায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল রোয়াংছড়িতে এনসিপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। আমাদের বেতনের টাকা আসে স্পন্সর ও আইসিসি থেকে: মিরাজ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ই/সরায়েল ফটিকছড়িতে মনোনয়ন ফিরে পেলেন রবিউল হাসান তানজিম

এই প্রথম মঙ্গল গ্রহে বজ্রপাতের শব্দ রেকর্ড করল নাসা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলের বুকে প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ চমকানোর ঘটনা রেকর্ড করেছে নাসা। তাও একবার-দুবার নয়, গত দুই বছরে অন্তত ৫৫ বার ঘটেছে এটি!
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গলে বিদ্যুতের খেলাটা চলে ধুলোর সাহায্যে। লাল গ্রহে যখন বিশাল ধুলোঝড় বা ছোট ছোট ঘূর্ণিবাতাস তৈরি হয়, তখন ধুলোর কণাগুলো একে অপরের সঙ্গে প্রচণ্ড জোরে ঘষা খায়। এই ঘর্ষণের ফলে সেখানে স্থির তড়িৎ বা স্ট্যাটিক চার্জ তৈরি হয়। আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের মধ্যে যেমন বিদ্যুৎ চমকায়, ব্যাপারটা ঠিক তেমন।

বিজ্ঞানীরা অনেক আগে থেকেই সন্দেহ করতেন, মঙ্গলে এমনটা হতে পারে। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছিল না। এবার পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেই প্রমাণ হাতেনাতে ধরেছে।

প্রশ্ন হলো, শব্দটা ধরা পড়ল কীভাবে? ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অব এইজ-মার্শেই এবং লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষক ব্যাপটিস্ট চাইড এবং তার দল পারসিভিয়ারেন্স রোভারের সুপারক্যাম মাইক্রোফোনের প্রায় ২৮ ঘণ্টার অডিও রেকর্ড তন্ন তন্ন করে ঘেঁটেছেন।

তারা সেখানে অদ্ভুত এক সংকেত পেলেন। প্রথমে মাইক্রোফোনে একটা যান্ত্রিক ব্লিপ শব্দ শোনা যায়। এটা আসলে বিদ্যুতের কারণে তৈরি হওয়া বিদ্যুৎচৌম্বকীয় সংকেত। ঠিক তার পরপরই শোনা যায় খুব ক্ষীণ একটা শব্দ। যেন ছোট্ট একটা মেঘের গর্জন! বাতাসের মধ্যে বিদ্যুৎ খেলে গেলে বাতাস গরম হয়ে প্রসারিত হয়, তখনই এমন শব্দ হয়।

বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
রেকর্ড করা ৫৫টি ঘটনার মধ্যে ৭টিতে এই শব্দ এবং সংকেত খুব স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হওয়ার জন্য পৃথিবীতেও ঠিক একই রকম যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছেন। ফলাফল বলছে, এটা মঙ্গলের বজ্রপাতই!

তবে পৃথিবীর বজ্রপাতের সঙ্গে মঙ্গলের বজ্রপাতে পার্থক্য আছে। হলিউড মুভিতে যেমন দেখায়, মঙ্গলে বিশাল বজ্রপাতে সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, বাস্তবে কিন্তু ব্যাপারটা তেমন নয়। পৃথিবীতে একটা বজ্রপাতে প্রায় ১০০ কোটি জুলের মতো শক্তি থাকে। আর মঙ্গলের এই ধুলোঝড়ের বিদ্যুৎ খুবই দুর্বল; মাত্র কয়েক ন্যানোজুল থেকে মিলিজুল শক্তির। এগুলো বিশাল কোনো বাজ পড়ার মতো ঘটনা নয়, বরং ছোটখাটো স্পার্ক বা স্ফুলিঙ্গের মতো।

তবে একটা ঘটনা ছিল বেশ শক্তিশালী। সেটা প্রায় ৪০ মিলিজুলের। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, ওটা হয়তো রোভারের গা ঘেঁষে ধুলো ওড়ার কারণে রোভারের শরীরেই চার্জ জমে গিয়েছিল এবং সেখান থেকে মাটিতে ডিসচার্জ হয়েছে।

এখন প্রশ্ন করতে পারেন, ছোট্ট এটুকু স্পার্কে এত হইচইয়ের কী আছে? আসলে আছে। কারণ, এই আবিষ্কার মঙ্গলের ভবিষ্যতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে যখন মানুষ বা আরও উন্নত রোবট মঙ্গলে যাবে, তখন এই ধুলোঝড়ের বৈদ্যুতিক চার্জ যন্ত্রপাতির ক্ষতি করতে পারে। তাই এখন থেকেই বিজ্ঞানীরা সুরক্ষাব্যবস্থা নিতে পারবেন।

দ্বিতীয়ত, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে এই বিদ্যুৎ কী ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়, তা এখন বোঝা যাবে।

নেচার জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণা মঙ্গলের আবহাওয়ার মডেলে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল। লাল গ্রহটি যে একদমই মরে যাওয়া নিস্তেজ কোনো জায়গা নয়, ধুলোর ঝড়ে যে সেখানেও আগুনের ফুলকি ওড়ে—এটাই তার প্রমাণ!

লেখক: ফ্রন্টেন্ড ডেভলপার, সফটভেঞ্চ
সূত্র: সায়েন্স অ্যালার্ট ও নিউইয়র্ক টাইমস

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট