ধর্ম ডেস্ক
ইসলামে দোয়া ও জিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (স.) উম্মতকে বিভিন্ন দোয়া ও জিকির শিখিয়েছেন, যার মধ্যে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘কেউ রাতের বেলায় এ দুই আয়াত পড়লে তা তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে।’ অর্থাৎ, রাতে কোরআন তেলাওয়াতের যে দায়িত্ব, তা এ দুই আয়াত পড়লে পূর্ণ হয়ে যায়। (বুখারি: ৪০০৮)
ফজিলত
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, জিবরাইল (আ.) একদিন রাসুল (স.)-এর কাছে এসে বলেন, ‘আপনি দুটি নুরের সুসংবাদ গ্রহণ করুন, যা আপনার আগে অন্য কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি: সুরা ফাতিহা ও সুরা বাকারার শেষাংশ। এগুলোর একটি অক্ষর পড়লেই আপনার প্রার্থনা পূরণ করা হবে।’ (মুসলিম: ৮০৬)
অন্য হাদিসে রাসুল (স.) বলেন, ‘সুরা বাকারার শেষ আয়াতদ্বয় আল্লাহর আরশের নিচের ভাণ্ডার থেকে আমাকে দেওয়া হয়েছে। এগুলো রহমত, নৈকট্য লাভের মাধ্যম ও সকল কল্যাণের দোয়া।’ (মেশকাত: ২১৭৩)
এ আয়াতদ্বয় (সুরা বাকারার আয়াত নম্বর ২৮৫ও ২৮৬) তেলাওয়াতকারীর জন্য রহমত, আল্লাহর নৈকট্য ও সর্বপ্রকার কল্যাণ লাভের উপায়। এটি ভুল-ত্রুটি ক্ষমা, দায়মুক্তি ও দৈনন্দিন জীবনের সকল চাহিদা পূরণের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এ দুর্দান্ত ফজিলতপূর্ণ আয়াত নিয়মিত পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।