আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষ / ছবি: সংগৃহীত
ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ’র প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় ভারি বর্ষণ ও বন্যায় এখন পর্যন্ত ৩৩৪ জন মারা গেছেন এবং এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানায়, রবিবারের (৩০ নভেম্বর) শুরুতে যেখানে নিহতের সংখ্যা ছিল ২১২, সেখান থেকে তা বেড়ে ৩৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ৪০০ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে এবং রেকর্ড বৃষ্টিতে সারা দ্বীপজুড়ে ১৩ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ২০০৪ সালের বিধ্বংসী এশীয় সুনামির পর সবচেয়ে ভয়াবহ, ওই সুনামিতে প্রায় ৩১ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছিল।
শ্রীলঙ্কাজুড়ে রবিবার বৃষ্টি কমে এলেও রাজধানীর নিচু এলাকাগুলো এখনো পানির নিচে ছিল।
কলম্বোর উত্তরে একটি হাসপাতালে রবিবার সন্ধ্যায় আটকে পড়া রোগীদের জন্য খাদ্য বহনকারী একটি বেল ২১২ হেলিকপ্টার নদীতে বিধ্বস্ত হয়। বিমান বাহিনীর এক মুখপাত্র এএফপিকে জানান, হেলিকপ্টারের পাঁচজন আরোহীই উদ্ধার হয়েছেন এবং তাদের কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
শ্রীলঙ্কার বিমান বাহিনী জানিয়েছে, পাকিস্তানও উদ্ধারকারী দল পাঠাচ্ছে। পাশাপাশি জাপান শ্রীলঙ্কার তাৎক্ষণিক প্রয়োজন নিরূপণে একটি দল পাঠাবে এবং সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বিমান বাহিনী আরো জানায়, শনিবার পানিতে তলিয়ে যাওয়া উত্তরের চিলাউ শহরের একটি হাসপাতাল থেকে দুইটি নবজাতক ও ১০ বছর বয়সী এক শিশুকেও উদ্ধার করা হয়েছে।