1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
মহাকাশে ধরা পড়ল মরুভূমির পাহাড়ের বিরল ছবি - সংবাদ এইসময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দরিদ্র পরিবার থেকে যেভাবে ক্ষমতার শীর্ষে উঠে এসেছিলেন আলি খামেনি কাছের মানুষদের নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করলেন আদ্রিকা এ্যানী পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সকল প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যহীন ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান মাগফিরাতের দশক: আল্লাহর ক্ষমা পেতে যেসব আমল করবেন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হাম/লার দাবি ইরানের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭৭ (সাতাত্তর) জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি শেরপুরে সরকারি মাধ্যমিক স্তরের ৬ হাজার কপি বই জব্দ,ভাঙ্গারীর স্টোর সিলগালা বাগমারায় সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণের শুভ উদ্বোধন ও দোয়া অনুষ্ঠান শরীয়তপুরে নড়িয়ায় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আল্লাহর জ্ঞানের বিশালতা ও পরিব্যাপ্তি

মহাকাশে ধরা পড়ল মরুভূমির পাহাড়ের বিরল ছবি

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির অন্যতম শুষ্ক এলাকায় হঠাৎই চোখে পড়ে কালো পাথুরে পাহাড়। এদের মাঝেই রয়েছে জাবাল আরকানু যার গোলাকার বৃত্ত-সদৃশ গঠন ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত বিরল। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) থেকে তোলা নতুন ছবিতে এই পাহাড়ি কাঠামো আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে।

জাবাল আরকানু লিবিয়ার দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলে, মিশর সীমান্তের কাছে অবস্থিত।

এর আশপাশে রয়েছে আরও কয়েকটি পাহাড়ি এলাকা। দক্ষিণ-পূর্বে জাবাল আল-আওয়াইনাত (প্রায় ২০ কিমি দূরে) এবং পশ্চিমে আরকানু ফরমেশনস (প্রায় ৯০ কিমি দূরে)।
একসময় ধারণা করা হতো, এসব বৃত্তাকার গঠন উল্কাপিণ্ডের আঘাতে তৈরি। পরে মাঠ পর্যায়ের গবেষণায় জানা যায়, এগুলো পুরোপুরিই পৃথিবীর স্বাভাবিক ভূগর্ভস্থ প্রক্রিয়ার ফল।

বিজ্ঞানীদের মতে, ভূগর্ভ থেকে ওঠা গলিত শিলা বা ম্যাগমা আশপাশের শক্ত পাথরের ভেতর বারবার ঢুকে বৃত্ত-আকৃতির এসব বলয় তৈরি করে। তাই এগুলোকে রিং কমপ্লেক্স বলা হয়।
এর গঠন মূলত আগ্নেয় শিলা যেমন ব্যাসল্ট ও গ্রানাইট দিয়ে তৈরি। পাহাড়ের উত্তরে আবার রয়েছে টুপি-সদৃশ স্তর যা বালুকাপাথর, চুনাপাথর ও কোয়ার্টজ দিয়ে গঠিত।

২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তোলা আইএসএসের ছবিতে দেখা যায়, পাহাড়ের লম্বা ছায়া মরুভূমির ওপর ছড়িয়ে আছে। জাবাল আরকানু সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৪০০ মিটার উঁচু। আশপাশের সমতল মরুভূমির চেয়ে প্রায় ৮০০ মিটার উঁচুতে দাঁড়িয়ে আছে এটি। পাহাড়ের পাদদেশে বড় বড় পাথর, নুড়ি এবং বাতাসে উড়ে যাওয়া বালুর পাখনা-সদৃশ রেখা ছড়িয়ে রয়েছে। এর ভেতরে দু’টি শুকনো নদীখাত (ওয়াদি)ও দেখা যায়।

এই অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অত্যন্ত কম বার্ষিক মাত্র ১–৫ মিলিমিটার। জাবাল আরকানুর আশপাশে কিছুটা বেশি, প্রায় ৫–১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। ধারণা করা হয়, পাহাড়ের কারণে সামান্য ‘ওরোগ্রাফিক ইফেক্ট’ (পাহাড়ের কারণে বৃষ্টির সামান্য বৃদ্ধি) তৈরি হয়।

ছবিটি আইএসএস এক্সপেডিশন–৭৩-এর একজন মহাকাশচারী নিকন Z9 ক্যামেরা ও ৮০০ মিমি লেন্সে তোলেন। পরবর্তীতে কনট্রাস্ট ও স্বচ্ছতা বাড়াতে সামান্য সম্পাদনা করা হয়। এই প্রকল্পে আইএসএস ক্রু আর্থ অবজারভেশনস ফ্যাসিলিটি এবং নাসার আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড রিমোট সেন্সিং ইউনিট একসঙ্গে কাজ করছে, যাতে মহাকাশ থেকে তোলা গুরুত্বপূর্ণ ভূ-পৃষ্ঠের ছবি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখা যায়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট