1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
মৃ*ত্যু*র আগে যে দোয়াটি পড়েছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিল্কিওয়েতে সাদা নক্ষত্রের অদ্ভুত আচরণে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা মদ বিক্রেতা ও পানকারীদের প্রতি ইসলামের কঠোর বার্তা শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত সাভার স্বর্ণকলি আদর্শ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না : রিজওয়ানা বাগমারায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল রোয়াংছড়িতে এনসিপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। আমাদের বেতনের টাকা আসে স্পন্সর ও আইসিসি থেকে: মিরাজ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ই/সরায়েল ফটিকছড়িতে মনোনয়ন ফিরে পেলেন রবিউল হাসান তানজিম

মৃ*ত্যু*র আগে যে দোয়াটি পড়েছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংগৃহীত ছবি
মৃত্যু হলো প্রতিটি মানুষের অনিবার্য বাস্তবতা। জীবনযাপনের প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের সামনে যে দোয়াগুলো সবচেয়ে বেশি দরকার—তার মধ্যে অন্যতম হলো ক্ষমা ও সুরক্ষার দোয়া। আমাদের প্রিয় নবীজি মুহাম্মদ (সা.) মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে যে দোয়াটি পড়েছিলেন, তা আমাদের জন্যও দিকনির্দেশনা। নবীজির (সা.) মৃত্যুর আগে যে ঘটনাটি ঘটেছিল এবং যে দোয়াটি পড়েছিলেন তা তুলে ধরা হলো—

মৃত্যু সংঘটিত হওয়ার সময়ের ঘটনা ও দোয়া

রাসুলুল্লাহ (সা.) স্ত্রী হজরত আয়েশার (রা.) কাঁধে ঠেস দিয়ে বসা অবস্থায় ছিলেন। এমন সময় আয়েশা (রা.)-এর ভাই আব্দুর রহমান (রা.) সেখানে উপস্থিত হন। তার হাতে কাঁচা মিসওয়াক দেখে সেদিকে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দৃষ্টি গেল। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, আমি তার আগ্রহ বুঝতে পেরে তার অনুমতি নিয়ে মিসওয়াকটি চিবিয়ে নরম করে তাকে দিলাম। তখন তিনি সুন্দরভাবে মিসওয়াক করলেন ও পাশে রাখা পাত্রে হাত ডুবিয়ে (কুলিসহ) মুখ ধৌত করলেন। এসময় তিনি বলতে থাকেন—

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ، إِنَّ لِلْمَوْتِ سَكَرَاتٍ

‘আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। নিশ্চয়ই মৃত্যুর রয়েছে কঠিন যন্ত্রণাসমূহ।’ (বুখারি ৪৪৪৯; মিশকাত ৫৯৫৯)

এমন সময় তিনি ঘরের ছাদের দিকে তাকিয়ে হাত কিংবা আঙ্গুল উঁচিয়ে বলতে থাকলেন, ‘(হে আল্লাহ!) নবীগণ, ছিদ্দীকগণ, শহীদগণ এবং নেককার ব্যক্তিগণ যাদের তুমি পুরস্কৃত করেছ, আমাকে তাদের সাথী করে নাও। (এরপর তিনি বলেন)—

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِىْ وَارْحَمْنِىْ وَأَلْحِقْنِىْ بِالرَّفِيْقِ الْأَعْلَى، اللَّهُمَّ الرَّفِيقَ الْأَعْلَى

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগ ফিরলি ওয়ারহামনি ওয়ালহিক্বনি বিররাফিক্বিল আ’লা; আল্লাহুম্মার রাফিক্বিল আ’লা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর ও দয়া কর এবং আমাকে আমার সর্বোচ্চ বন্ধুর সঙ্গে মিলিত কর। হে আল্লাহ! আমার সর্বোচ্চ বন্ধু!’

হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, শেষের কথাটি তিনি তিনবার বলেন। এরপর তার হাত এলিয়ে পড়ল, দৃষ্টি নিথর হয়ে গেল’। তিনি সর্বোচ্চ বন্ধুর সঙ্গে মিলিত হলেন। (বুখারি ৪৫৮৬, ৫৬৭৪; মিশকাত ৫৯৫৯)

এই দোয়াটি আমাদের শেখায়—জীবনের শেষ মুহূর্তেও একমাত্র আল্লাহর ক্ষমা, রহমত ও নেক মানুষের সঙ্গই সবচেয়ে বড় কামনা। তাই আমাদের উচিত প্রতিদিনের জীবনে এ দোয়াটি হৃদয়ে ধরে রাখা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও রহমতের আবেদন জানাতে ভুল না করা।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট