1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, প্রশংসায় ভাসছেন ম্যাজিস্ট্রেট - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন

অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, প্রশংসায় ভাসছেন ম্যাজিস্ট্রেট

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দায়িত্ব নিয়েই অনিয়মের বিরুদ্ধে সরাসরি মাঠে নেমেছেন এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা যাত্রী হয়রানি, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার নেওয়া একের পর এক ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে প্রবাসী যাত্রীদের মধ্যেও তার কার্যক্রম প্রশংসায় ভাসছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সদ্য দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান বিমানবন্দরের ভেতরের অনিয়মিত কার্যক্রম চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেন। খাবারের দোকানগুলোতে অতিরিক্ত দামে ও বাসি খাবার বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি ওয়াশরুমে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাধ্যমে বকশিস আদায়ের নামে যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে যাত্রীসেবাকে আরও কার্যকর করতে হেল্প ডেস্ক সক্রিয় করা এবং জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগ হিসেবে লাগেজ রিলিজ কার্যক্রমে যুক্ত কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এসব ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে থাকবে। এতে লাগেজ চুরি ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রবাসী যাত্রীদের একটি বড় অংশ এই উদ্যোগগুলোকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, বহুদিন ধরে বিমানবন্দরে যে অনিয়ম ও হয়রানি চলছিল, তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের সূচনা হয়েছে।

তবে প্রশাসনিক সূত্রগুলো বলছে, দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা স্বার্থান্বেষী বিভিন্ন সিন্ডিকেটের কারণে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন ও টিকিয়ে রাখা সহজ হবে না। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসন্তোষ সৃষ্টি ও চাপ প্রয়োগের চেষ্টা চলছে— এমন কথাও শোনা যাচ্ছে।

বিশিষ্টজনদের মতে, ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান যদি ধারাবাহিকভাবে তার অবস্থানে অটল থাকতে পারেন, তাহলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ঢাকা বিমানবন্দরের সেবার মানে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসতে পারে। এদিকে সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই তরুণ কর্মকর্তার নিরাপত্তা ও সাফল্য কামনা করে আশা প্রকাশ করছেন— তার উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বারে যাত্রী ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কার্যক্রম নিয়ে প্রশংসার জোয়ার উঠেছে। ফারহানা ইয়াসমিন নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো অনিয়মপ্রবণ জায়গায় পোস্টিং পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান যে সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসীদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

তিনি আরও লেখেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রথাগত অফিসকেন্দ্রিক কাজের বাইরে গিয়ে সরাসরি অপারেশনাল পয়েন্টে কাজ করছেন তিনি, যা ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

মো. রিফাত নামে আরেকজন লিখেছেন, প্রবাসীদের জন্য এটি সুখবর। ঢাকা বিমানবন্দরে নতুন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান দুর্নীতি ও প্রবাসীদের হয়রানির লাগাম টেনে ধরেছেন। এটি সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট