নিজস্ব প্রতিবেদক।
ভালোবাসা, শিক্ষা ও মানবিকতার পথে ১২ বছরের অনন্য সহযাত্রা
আজ এক অনন্য দিন। শিক্ষকতা, মানবিকতা ও বিশ্বাসের আলোয় আলোকিত এক দম্পতির দাম্পত্য জীবনের ১২ বছর পূর্ণ হলো। তানজিনা আফরিন হ্যাপি ও মোঃ কামাল হোসেন হাওলাদার—দু’জনই শিক্ষক, যাঁরা প্রতিনিয়ত জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন সমাজের প্রতিটি স্তরে।
শিক্ষকতা তাঁদের কাছে কেবল একটি পেশা নয়; বরং এটি মানুষের ভেতরে মনুষ্যত্ব জাগিয়ে তোলার এক মহান ব্রত। শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের পাশাপাশি সমাজ ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রশংসার দাবিদার। নিয়মিত দান-সদকা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তাঁরা প্রমাণ করে চলেছেন—কাজের মধ্য দিয়েই মানুষের প্রকৃত মানবিক বিকাশ ঘটে।
তাঁদের জীবনদর্শনে রয়েছে গভীর অর্থবোধক এক বিশ্বাস—
“কিছু কাজের দ্বারা পৃথিবীতে নিজের নাম রেখে যেতে চায়, আর সেটাই হবে আমার পৃথিবীতে আসার স্বার্থকতা।”
এই চিন্তাধারাই তাঁদের প্রতিদিনের কাজকে করে তুলেছে আরও অর্থবহ, আরও দায়িত্বশীল।
দাম্পত্য জীবনের এই দীর্ঘ পথচলায় তাঁরা বুঝে নিয়েছেন সময়ের প্রকৃত মূল্য। তাঁদের বিশ্বাস, “আনন্দ এবং কাজ সময়কে সংক্ষিপ্ত করে দেয়।” তাই ব্যস্ততার মাঝেও ইবাদত, দায়িত্ব ও ভালোবাসার ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছেন নিরবচ্ছিন্নভাবে।
বিশ্বাস ও আমলের পথে অবিচল এই দম্পতি মনে প্রাণে ধারণ করেন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী—
“সালাত হলো জান্নাতের চাবি।” (তিরমিজি)
ইবাদতের প্রতি এই গভীর অনুরাগই তাঁদের জীবনে এনে দিয়েছে শান্তি, শৃঙ্খলা ও আল্লাহর রহমত।
দাম্পত্য জীবনের ১২ বছর পূর্তিতে সংবাদ এই সময়–এর পক্ষ থেকে তানজিনা আফরিন হ্যাপি ও মোঃ কামাল হোসেন হাওলাদারকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। মহান আল্লাহ যেন তাঁদের দাম্পত্য জীবনকে আরও সুখময় করেন, নেক আমলে কবুল করেন এবং শিক্ষা ও মানবসেবার পথে তাঁদের অবদানকে কবুল করে নেন—এই দোয়া রইল।