জীবনযাপন ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
সুস্থ থাকার জন্য কী খাচ্ছেন, সেদিকে নজর দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনই কখন খাবার খাচ্ছেন, সেদিকেও খেয়াল রাখা আবশ্যক। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমরা অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকি। তারপর খাবার খাই। এই অভ্যাস থাকলে কিন্তু শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমতে বাধ্য।
তাই সময় থাকতেই সতর্ক হওয়া জরুরি।
যারা ওজন কমানোর জন্য কড়া নিয়ম মেনে চলছেন, তারা দিনের অন্যান্য সময়ের খাবারের ব্যাপারে তো বটেই, বিশেষ করে নজর দিন রাতের খাবারের সময়ের দিকে। অর্থাৎ সঠিক সময়ে ডিনার সেরে নেওয়া খুবই জরুরি।
সন্ধ্যায় রাতের খাবার খেয়ে নিলে কী উপকার
দেরি করে রাতের খাবার খেলে শরীরে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা।
বিভিন্নভাবে শরীর খারাপ হতে পারে। তাই সঠিক সময়ে ডিনার সেরে নেওয়া উচিত। আর ডিনারের মেন্যু হতে হবে হালকা। অর্থাৎ খুব ভারী খাবার, গুরুপাক খাবার, তেল-মসলাযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া—এগুলো ডিনারের মেন্যুতে না রাখাই শ্রেয়।
রাতের খাবারের মেন্যুতে অবশ্যই সহজপাচ্য খাবার রাখা উচিত। তাহলে খাবার সহজে হজম হবে। বদহজম, এসিডিটি, গ্যাসের সমস্যা দেখা দেবে না। তাই বেশি দেরিতে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস অবিলম্বে ত্যাগ করুন। তাহলেই উন্নতি হবে শরীর-স্বাস্থ্যের।
রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খেয়ে নিলে হজম সংক্রান্ত যাবতীয় সময় দূর হবে। খাবার ভালোভাবে হজম হবে। বদহজম, এসিডিটি ও গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে তাড়াতাড়ি রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করা জরুরি।
আগে ডিনার করলে, খাবার খাওয়া ও ঘুমাতে যাওয়ার মধ্যে বেশ কিছুটা সময়ের ব্যবধান থাকে। এই ব্যবধান থাকা জরুরি। এ ছাড়া ডায়াবেটিক রোগীদের অবশ্যই রাতের খাবার দ্রুত সেরে নেওয়ার অভ্যাস করা উচিত। নয়তো ব্লাড সুগারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
ডিনার তাড়াতাড়ি সেরে নিলে আপনার রাতের ঘুম ভালো হবে। কারণ খাবার ভালোভাবে হজম হলে, ঘুম ভালো হবে আপনার। রাতের খাবার তাড়াতাড়ি সেরে নিলে মেটাবলিজম রেট ভালো থাকে। তার ফলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ওজন।
রাতের খাবার খেয়ে নেওয়ার পর অন্তত এক ঘণ্টা বিশ্রাম নিন। তারপর হাঁটতে বের হতে পারেন। খাবার খাওয়ার পর ২০ মিনিট হাঁটতে পারলে আপনার শরীর থাকবে ঝরঝরে। খাবার ভালোভাবে হজম হয়ে যাবে। আপনার ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে।
সূত্র : এবিপি লাইভ