1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
তারেক রহমান এর কাছে দেশের প্রত্যাশা - সংবাদ এইসময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাগফিরাতের দশক: আল্লাহর ক্ষমা পেতে যেসব আমল করবেন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হাম/লার দাবি ইরানের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭৭ (সাতাত্তর) জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি শেরপুরে সরকারি মাধ্যমিক স্তরের ৬ হাজার কপি বই জব্দ,ভাঙ্গারীর স্টোর সিলগালা বাগমারায় সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণের শুভ উদ্বোধন ও দোয়া অনুষ্ঠান শরীয়তপুরে নড়িয়ায় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আল্লাহর জ্ঞানের বিশালতা ও পরিব্যাপ্তি হিজবুল্লাহ-হামাস-হুথি একযোগে দিলো খামেনি হ/ত্যা/র বদলা নেয়ার ঘোষণা সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় ভূমিদস্যুদের শিকার এক সাধারণ পরিবার কম বয়সে বড় স্বপ্ন, ব্র্যান্ড জগতে নিজের জায়গা গড়ছেন ফারিহা

তারেক রহমান এর কাছে দেশের প্রত্যাশা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

মিজানুর রহমান বাবুল সম্পাদক সংবাদ এই সময়।

তারেক রহমান দেশের অর্থনীতিকে কি সঠিক ধারায় নিয়ে যেতে পারবেন। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম উৎস প্রবাসী আয়। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশ এখন বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে তারেক রহমানকে প্রবাসী আয়ের খাতকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৬৯ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র পাঁচটি দেশে-সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে। তবে এই সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম। সে বছর ১৩ লাখ ৭ হাজার ৮৯০ জন কর্মী বিদেশ পাঠানো হয়।

বলার অপেক্ষা রাখে না, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত। জনশক্তি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান ব্যুরোর এক তথ্যে জানা যায়, গত দুই দশকে দেশ থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষ কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিদেশে গমন করেছেন। বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির সবচেয়ে বড় ও ট্র্যাডিশনাল শ্রমবাজার হিসেবে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের পরই মালয়েশিয়ার অবস্থান। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানিতে প্রায়শ নানাবিধ সংকট ও প্রতিবন্ধকতা দেখা গেলেও সেখানে জনশক্তি রপ্তানি কখনো বন্ধ হয়নি।

পরিবর্তিত রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতায় একসময় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। রিক্রুটিংসংক্রান্ত দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা ও সিন্ডিকেটেড মুনাফাবাজির কারণে মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে বাড়তি মনোযোগ ও বিধিনিষেধ আরোপ করে জি-টু-জি চুক্তিতে কম খরচে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু সরকারের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ এবং বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর অসহযোগিতায় সেসব চুক্তি অনুসারে জনশক্তি রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা সফল হয়নি। মালয়েশিয়ার অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের অসামান্য অবদান রয়েছে। সেখানকার চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশি শ্রমিকের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও রিক্রুটিংসংক্রান্ত জটিলতা নিরসন না হওয়ায় বৈধ পথে কর্মসংস্থানের পথ বন্ধ রয়েছে।

এ সুযোগে ইন্দোনেশিয়া, নেপালসহ বিভিন্ন দেশ থেকে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি নিয়োগের হার বাড়ছে। মালয়েশিয়ার মতো বন্ধুপ্রতিম দেশে দীর্ঘদিন ধরে জনশক্তি নিয়োগে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা নিরসনে সরকারের ব্যর্থতা বিস্ময়কর। মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা এর দায় এড়াতে পারেন না।
বিদেশে কর্মী পাঠাতে হলে বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) থেকে প্রত্যেক কর্মীকে ছাড়পত্র নিতে হয়। সংস্থাটির তথ্য বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশে মোট কর্মী গেছেন ১১ লাখ ৯৮ হাজার ৯০০ জন। এর মধ্যে প্রায় ২৬ শতাংশ ছিলেন দক্ষ। আর গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) গেছেন ১০ লাখ ১৫ হাজার ৩১২ জন কর্মী।

রপ্তানি খাতের পর প্রবাসী আয় আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। আমি মনে করি, যাদের কারণে বিগত সময় শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর মাধ্যমে হারানো শ্রমবাজার পুনরুদ্ধার করতে হবে। আশা করি, অন্তর্র্বর্তী সরকার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ কর্মী তৈরি করে বিদেশে পাঠিয়ে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। কারণ দেশের নানামুখী সংকট উত্তরণে অর্থব্যবস্থার সমৃদ্ধিকরণ অতীব জরুরি। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আশু পদক্ষেপ হিসেবে প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে আমদানির ক্ষেত্রে ডলার সমস্যা যাতে অন্তরায় না হয়, সেজন্য প্রবাসী আয় বাড়াতে অধিকতর মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে দেশের অর্থনীতির বিরুদ্ধে দেশিবিদেশি চক্রের নানামুখী ষড়যন্ত্র সক্রিয় রয়েছে। পাসপোর্ট, ভিসা জালিয়াতিসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভারতীয় চক্রের তৎপরতার কথা নানা মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেকটা স্থবির হয়ে পড়ায় প্রায় দেড় কোটি মানুষের বৈদেশিক কর্মসংস্থান থেকে আসা রেমিট্যান্সের ওপর দেশের অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা বেড়েছে। এ খাতের ওপর শ্যেনদৃষ্টি ও ষড়যন্ত্রে মালয়েশিয়ার মতো অন্যান্য শ্রমবাজারে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি হলে দেশে বড় ধরনের সামাজিক-অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। চলতি বছরে দশ লক্ষাধিক কর্মী বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য গিয়েছে। অর্থবছরের প্রথমার্ধে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স অর্থনৈতিক ধস ঠেকাতে বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে এ সেক্টরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং অপতৎপরতাও থেমে নেই। দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি উন্নয়নে সমন্বয়হীনতা, শেয়ারবাজারে ধস অব্যাহত রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজারের সমস্যা নিরসন ও নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টিতে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট