জিহাদুল ইসলাম (জিহাদ)
স্টাফ রিপোর্টার
আসনে জোটের প্রার্থী হওয়া নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আলী নাসের নিজেকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ‘১০ দলীয় জোটের’ চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে দাবি করলেও জামায়াত নেতারা বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর একাধিক নেতার মতে, আলী নাসের ১০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী নন। জোটের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কাউকে চূড়ান্ত সমর্থন দেওয়া হয়নি। তারা আরও জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে আলী নাসেরের কোনো রাজনৈতিক তৎপরতা বা প্রচারণা মাঠ পর্যায়ে দেখা যায়নি।
এই বিষয়ে গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “গাজীপুর-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নিজস্ব প্রার্থী হোসেন আলী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরাও পৃথকভাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। জোটভুক্ত দলগুলোর প্রার্থীদের নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে, তবে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।”
একই বিষয়ে জোটের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার আব্বাস আলী খান জানান, জোটগতভাবে এখনো একক কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। জোটের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিতর্কের বিষয়ে বক্তব্য জানতে জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আলী নাসেরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত আসার আগেই নিজেকে জোটের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় গাজীপুর-২ আসনের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ১০ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।