1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
ওদের হাতে গোলামির জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা’ : দেশনেত্রী খালেদা জিয়া - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মদ বিক্রেতা ও পানকারীদের প্রতি ইসলামের কঠোর বার্তা শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত সাভার স্বর্ণকলি আদর্শ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না : রিজওয়ানা বাগমারায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল রোয়াংছড়িতে এনসিপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। আমাদের বেতনের টাকা আসে স্পন্সর ও আইসিসি থেকে: মিরাজ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ই/সরায়েল ফটিকছড়িতে মনোনয়ন ফিরে পেলেন রবিউল হাসান তানজিম সবার দোয়া ও ভালবাসায় অভিনয় করে এগিয়ে যেতে চাই : অভিনেতা ইমরান হাসো

ওদের হাতে গোলামির জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা’ : দেশনেত্রী খালেদা জিয়া

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

মোবায়েদুর রহমান

ভারত বাংলাদেশের সাথে সব সময় কূটনীতির মারপ্যাঁচ খেলে আসছে। বেগম খালেদা জিয়ার মতো অবিসংবাদিত মহিয়সী নারীর মৃত্যুকে নিয়েও তারা কূটনীতির মারপ্যাঁচ খেলেছে। আর খেলবেই না বা কেনো? তারা যে, চাণক্যের যোগ্য উত্তরসূরী। চাণক্যের আরেক নাম কৌটিল্য। কৌটিল্যের লেখা ‘অর্থশাস্ত্র’ নামক গ্রন্থটি শয়তানির ইতিহাসে শিলালিপি হয়ে থাকবে। চাণক্যের জন্ম হয় খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০ সালে। কারো মতে, কৌটিল্য বা চাণক্যের জন্ম চণক নামে একটি গ্রামে, একটি ব্রাহ্মণ পরিবারে। তাঁর জন্মস্থান সম্বন্ধে বেশ কয়েকটি মতবাদ প্রচলিত রয়েছে। বৌদ্ধ গ্রন্থ মহাবংশটীকা অনুসারে, তক্ষশীলায় তাঁর জন্ম হয়। জৈন পুঁথি অদ্বিধন চিন্তামণি চাণক্যকে অভিহিত করেছে দ্রমিলা নামে, যার অর্থ তিনি দক্ষিণ ভারতের অধিবাসী ছিলেন। হেমচন্দ্র রচিত পরিশিষ্টপর্ব গ্রন্থানুসারে, চাণক্য চণক নামক গ্রামে চণিন নামক এক ব্রাহ্মণ পরিবারে তার জন্ম হয়। চাণক্যের ভাবশীষ্য বলা হয় নিকোলা ম্যাকিয়াভ্যালিকে। ম্যাকিয়াভ্যালির গ্রন্থের নাম The Prince. রাজা কীভাবে রাজ্য শাসন করবেন তার কুটিল পথ বর্ণিত রয়েছে চাণক্যের ‘অর্থশাস্ত্র’ এবং ম্যাকিয়াভ্যালির ‘দি প্রিন্স’ গ্রন্থ দুটির মধ্যে। মানুষ সাধারণত কারো মৃত্যুর সময় শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করতে এসে কুটিল নীতির আশ্রয় নেয় না। কিন্তু বেগম জিয়ার জানাজার দিন ঢাকায় এসে ভারতের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির স্থপতি প্রবীণ আমলা এস জয়শঙ্কর সেই পলিটিক্সের খেলাই খেলে গেছেন।

৪ ঘণ্টার জন্য একটি মিলিটারি প্লেনে করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঢাকায় এসেছিলেন। তিনি হিন্দু। সুতরাং তিনি যে জানাজায় অংশগ্রহণ করবেন না, সেটি তো জানা কথা। তিনি জাতীয় সংসদের একটি কক্ষে ১ ঘণ্টা কথা বলেছেন বেগম জিয়ার পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে। তাদের এই দেখা সাক্ষাৎ এবং বৈঠক নিয়েও কারো কিছু বলার নাই। কিন্তু দেখা গেলো, মাত্র ৪ ঘণ্টার সফরে তিনি আরো ২ ব্যক্তির সাথে দেখা করেছেন। এরা হলেন, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। এ ব্যাপারেও আমরা কিছু বলতাম না। কিন্তু ভারতের প্রতিনিধি হিসাবে তাকে ঢাকায় পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সাথে করে একটি ব্যক্তিগত পত্রও এনেছিলেন। এই পত্রটি নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে লিখেছেন।

আলোচ্য পত্রে নরেন্দ্র মোদি যা লিখেছেন, তার অংশ বিশেষের বাংলা তরজমা করলে যা দাঁড়ায় তা হলো, ‘ইতিহাসজুড়ে তারা (বাংলাদেশের মানুষ) যে অসাধারণ শক্তি ও মর্যাদাবোধের পরিচয় দিয়েছেন, তা স্মরণযোগ্য। আমি নিশ্চিত, অভিন্ন মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং গভীর জাতীয় ঐক্যের চেতনা তাদের শান্তি ও সম্প্রীতির পথে এগিয়ে যেতে অব্যাহতভাবে পথ দেখাবে।’

তিনি আরো লিখেছেন, ‘খালেদা জিয়া ছিলেন দৃঢ় প্রত্যয়ী ও অটল বিশ্বাসের এক বিরল নেতৃত্ব, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে যেমন তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তেমনি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করতেও তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।’

তিনি আরো লেখেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে আপনার (তারেক রহমান) দক্ষ নেতৃত্বে তার (খালেদা জিয়া) আদর্শ এগিয়ে নেওয়া হবে এবং ভারত ও বাংলাদেশের গভীর ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করতে তা পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে: নতুন সূচনা নিশ্চিত করবে।’

এই চিঠির বিষয়বস্তু নিয়ে আমরা একটু পরে আলোচনা করবো। তিনি বেগম জিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা জানানোর জন্য ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে দেখা করলেন না কেনো? অথবা কোনো বৈঠক করলেন না কেনো? এটি কোন কূটনৈতিক এটিকেটের মধ্যে পড়ে?

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার আইয়াজ সাদিক যথারীতি কূটনৈতিক রীতিনীতি অনুসরণ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সাথে দেখা করেছেন। জয়শঙ্কর সেখানে প্রধান উপদেষ্টার সাথে দেখা না করে যে দুই উপদেষ্টার সাথে দেখা করেছেন তাদের সাথে তার অফিসিয়াল বিজনেস কী ছিলো? আসলে কিছুই ছিলো না। তাদের সাথে দেখা করার সময় পেলেন জয়শঙ্কর, কিন্তু ড. ইউনূসের সাথে দেখা করার সময় পেলেন না? ভারতের একশ্রেণির সামাজিক মাধ্যম এবং একশ্রেণির গণমাধ্যম এর ব্যাখ্যা দিয়েছে। তারা বলেছে যে, আর ১ মাস ৯ দিন পর বাংলাদেশের ইলেকশন হচ্ছে। তখন তো আর ড. ইউনূস পাওয়ারে থাকছেন না। তাহলে খামাখা একজন পড়ন্ত লোকের সাথে দেখা করে কী লাভ? তার চেয়ে বরং উদীয়মান সূর্যের সাথেই দেখা করা ভালো। জয়শঙ্কর স্পষ্টত ড. ইউনূসকে অবজ্ঞা করেছেন, যেটি কূটনৈতিক সভ্যতা ও ভব্যতার বাইরে।

॥দুই॥
ভারত বাংলাদেশের বর্তমান এবং আগামী দিনের সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক মাধ্যমে অনেক কথাই লেখা হচ্ছে। আমি সাধারণত এসব লেখাকে আমলে নেই না। কারণ, এসব লেখার অথেনটিসিটি নাই। তবে ঐসব লেখা যখন কোনো প্রিন্ট বা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় আসে তখন আমি সেগুলোকে আমলে নেই। ভারতের গণমাধ্যমে এসব ব্যাপারে সম্প্রতি যা লেখা হচ্ছে তার দু’ একটি নমুনা দিচ্ছি।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর ভারতীয় ইংরেজি পত্রিকা ইন্ডিয়া টুডে’র অনলাইন সংস্করণে যে খবরটি ছাপা হয়েছে; তার শিরোনাম হলো, Khaleda Zia’s son in Bangladesh after 17 years. Why it’s good news for India. বাংলা অনুবাদ: ১৭ বছর পর বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার পুত্র, এটি ভারতের জন্য সুসংবাদ কেনো?

আমরা প্রথমেই বলতে চাই যে, এই খবরের শিরোনামটিই অত্যন্ত দুরভিসন্ধিমূলক। বাংলাদেশে তার প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের মানুষের জন্য সুসংবাদ। ১৭ বছর পর ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসছেন। কিন্তু তাই বলে সেটি ভারতের জন্য সুসংবাদ হবে কেনো? ইন্ডিয়া টুডে ভারতের একটি বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র। বাংলাদেশেও অনেক মানুষ অনলাইনে এই সংবাদপত্রটি পাঠ করেন। তাদের বিভ্রান্ত করার জন্যই এই ধরনের একটি মতলবি খবর ছাপা হয়েছে। খবরটির পূর্ণ বিবরণ আমার কম্পিউটারে সংরক্ষিত আছে। খবরে আর যেসব কথা বলা আছে সেগুলো হলো, সিম্পলি ইংরেজি ভাষায় ‘বুলশিট’। এর চেয়ে বরং নরেন্দ্র মোদির পত্রে যা বলা হয়েছে সেটি বিশ্লেষণ করলে যা দাঁড়ায়, তারেক রহমান সেই নীতিই অনুসরণ করবেন। নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে আপনার (তারেক রহমান) দক্ষ নেতৃত্বে তার (খালেদা জিয়া) আদর্শ এগিয়ে নেওয়া হবে। বেগম জিয়ার আদর্শ কী ছিলো? আসুন সেটি একবার দেখা যাক।

॥তিন॥
১৯৯০ সালে স্বৈরাশাসক জেনারেল এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে দেশের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলো আওয়ামী লীগ। সেই নির্বাচনে আপোসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যে বজ্রনির্ঘোষ উক্তি করেছিলেন সেই উক্তিটিই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মন্ত্র হিসাবে অনুরণনিত হচ্ছে। সেই বজ্রনির্ঘোষ আওয়াজ ছিলো, ‘ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা।’ সেই থেকে খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ের এক জীবন্ত প্রতীক।
সেই নির্বাচনী প্রচারণার শেষ পর্যায়ে বেগম জিয়া তার ভাষণে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের কঠোর সমালোচনা করে বলেছিলেন, একপক্ষ বিদেশের শক্তির কাছে নতজানু হয়ে গোলামীর জিঞ্জির পরে আছে, আর অন্যপক্ষ সাধারণ মানুষের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে স্বাধীনতার পতাকাকে সমুন্নত রাখতে চায়।

এই একটি বাক্য দিয়েই তিনি সে সময়কার তরুণ প্রজন্ম ও মধ্যবিত্ত ভোটারদের মনে জাতীয়তাবাদের বীজ বুনে দিয়েছিলেন। তিনি বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত ঢাকাতেই হবে, অন্য কোনো দেশের রাজধানীতে নয়।

ফারাক্কা বাঁধের কারণে উত্তরবঙ্গের মরুভূমি হওয়ার উপক্রম হওয়া, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নির্বিচারে বাংলাদেশি হত্যা, কিংবা তিস্তা চুক্তির অনিশ্চয়তা: প্রতিটি ইস্যুতে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ও রাজপথে লড়াই করেছেন।

বাংলাদেশের রাজনীতির দিগন্তে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র নিভে গেলেও, তার দর্শনের পতাকা আজ কোটি মানুষের হাতে। যে পতাকাকে তিনি আজীবন আগলে রেখেছিলেন, সেই লাল-সবুজের পতাকার নিচেই আজ তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন। তার বিদায়ে একটি সোনালি যুগের অবসান হলো।

৩১ ডিসেম্বর মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত তাঁর জানাজায় শরিক ৪০ লক্ষ মানুষের বিশাল জনসমুদ্রের উদ্দেশ্যে পঠিত লিখিত ভাষণে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আধিপত্যবাদী অপরাজনীতির সঙ্গে তিনি আপস করেননি; আপস করেননি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কিংবা ভোটাধিকারের প্রশ্নে। ফলে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ফ্যাসিস্ট শাসনবিরোধী লড়াইয়ের অনন্ত অনুপ্রেরণা।’

সেদিন ঐ ৪০ লক্ষ মানুষ ছাড়াও বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ টেলিভিশন স্ক্রিনের সামনে বসে থেকে এই পঠিত বক্তৃতা শুনেছেন। এই বক্তৃতা তারেক রহমানের অনুমোদন ছাড়া পঠিত হয় নাই।

১৯৯১ সালের যে কথা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন সেই চিঠির গোড়ার কথা হয়তো নরেন্দ্র মোদির জানা নাই। আর জানবেনই বা কোত্থেকে? তিনি তো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন ২০১৪ সালে। এর আগের ২ মেয়াদে তিনি ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় মুসলিম নিধনের অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছিলো ‘গুজরাটের কষাই’ হিসেবে। বেগম জিয়ার ভারত বিরোধী ভূমিকারই নিশানবরদার তার সুযোগ্য পুত্র তারেক রহমান, যেমন শহীদ জিয়াউর রহমানের ভারত বিরোধী ভূমিকার নিশানবরদার ছিলেন তার সুযোগ্য সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া।
আজ ভারতীয় মিডিয়াতে বিএনপি এবং তারেক জিয়াকে নিয়ে যেসব গসিপ ছড়ানো হচ্ছে সেগুলো ঐ চাণক্য এবং ম্যাকিয়াভ্যালির কূটচাল। এখন ২০২৬ সাল। শতকের পর শতক অতিক্রান্ত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষও ১৯৭১ সালের পর ভারতকে হাড়ে হাড়ে চিনেছে। বিএনপি এবং তারেক রহমান আগামী দিনে যদি ক্ষমতায় যান তাহলে জনরায় নিয়েই যাবেন। তিনি জনতার নাড়ির স্পন্দন যখন উপলব্ধি করবেন তখন আর নরেন্দ্র মোদি বা জয়শঙ্করের গোয়েবলসিয়ো উন্মাদ প্রচারণায় পথ হারাবেন না।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট