1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
দেশেই তাজমহলের আদলে স্থাপনা, বাংলার তাজমহল - সংবাদ এইসময়
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

দেশেই তাজমহলের আদলে স্থাপনা, বাংলার তাজমহল

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

তাজমহল—অমর প্রেমের প্রতীক, পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম বিস্ময়। ভারতের আগ্রায় অবস্থিত এই ঐতিহাসিক স্থাপত্য মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার প্রিয়তমা স্ত্রী মমতাজ মহলের স্মৃতিতে নির্মাণ করেছিলেন। শতাব্দী পেরিয়েও তাজমহল আজও প্রেম, সৌন্দর্য ও স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হয়ে বিশ্ববাসীকে মুগ্ধ করে চলেছে।

কিন্তু অনেকেই জানেন না, বাংলাদেশের মাটিতেও রয়েছে একটি তাজমহল—যা পরিচিত বাংলার তাজমহল বা তাজমহল বাংলাদেশ নামে।

এটি অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পেরাব গ্রামে, ঢাকা থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে। একদিনের ভ্রমণের জন্য এটি হতে পারে দারুণ একটি গন্তব্য।
অনেকেরই আগ্রার তাজমহল দেখার স্বপ্ন থাকলেও সময়, ভিসা কিংবা অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে তা পূরণ হয়ে ওঠে না। বাংলার তাজমহল সেই স্বপ্নেরই এক সুন্দর বিকল্প।

আগ্রার তাজমহলের আদলে নির্মিত এই স্থাপনাটি দেখলে প্রথম দেখাতেই মনে হবে যেন আপনি ভারতের তাজমহলেই দাঁড়িয়ে আছেন।
প্রায় ১৮ বিঘা জমির ওপর বিস্তৃত এই কমপ্লেক্সে শুধু তাজমহলই নয়, রয়েছে আরো নানা আকর্ষণ। এখানে দেখা যাবে মিসরের পিরামিডের প্রতিরূপ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য, ফিল্ম স্টুডিও, রেস্টুরেন্টসহ নানা বিনোদনমূলক স্থাপনা। সবুজ ঘাসে মোড়ানো চত্বর, রঙিন ফুলের বাগান, পানির ফোয়ারা আর পাখির কোলাহল মিলিয়ে জায়গাটি যেন এক শান্ত, স্বর্গীয় পরিবেশ তৈরি করেছে।

পরিবার, বন্ধু বা প্রিয়জনদের নিয়ে সময় কাটানোর জন্য এটি নিঃসন্দেহে আদর্শ স্থান।
যারা ফটোগ্রাফি ভালোবাসেন, তাদের জন্য বাংলার তাজমহল এক কথায় স্বপ্নের জায়গা। সূর্যোদয়ের সময় সাদা গম্বুজে পড়া আলো কিংবা সূর্যাস্তের সোনালি আভায় চারপাশের দৃশ্য হয়ে ওঠে অনন্য। পানির ফোয়ারায় তাজমহলের প্রতিবিম্ব দেখে মনে হবে আপনি যেন কোনো কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে গেছেন।

ইতিহাস ও নির্মাণকথা
বাংলার তাজমহলের নির্মাতা নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও চলচ্চিত্রকার আহসান উল্লাহ মনি।

তিনি ২০০৩ সালে এই স্থাপনার নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং প্রায় পাঁচ বছরের পরিশ্রমের পর ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। তার মূল উদ্দেশ্য ছিল—বাংলাদেশের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষ যেন নিজ দেশেই তাজমহলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যই তিনি এই ব্যতিক্রমী স্থাপত্য নির্মাণ করেন।
স্থাপত্য ও সৌন্দর্য
বাংলার তাজমহল নির্মাণে আগ্রার মূল তাজমহলের সঙ্গে সর্বোচ্চ মিল রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রধান ভবনটি স্বচ্ছ পাথর ও টাইলস দিয়ে মোড়ানো। চার কোণে রয়েছে চারটি সুউচ্চ মিনার, যা দূর থেকে দেখলে একেবারে আসল তাজমহলের মতো মনে হয়। সামনে রয়েছে পানির ফোয়ারা ও প্রতিফলন তৈরি করা জলাধার। চারদিকে সাজানো ফুলের বাগান ও বসার জায়গা দর্শনার্থীদের আরাম দেয়। মূল ভবনের ভেতরে আহসান উল্লাহ মনি ও তার স্ত্রী রাজিয়ার কবর সংরক্ষিত রয়েছে—যা এই তাজমহলকে আরো গভীর আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীকে রূপ দিয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট