অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক হলগুলো সেজেছে বর্ণিল আলোকসজ্জা ও রঙিন ব্যানারে। বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে সাদামাঠাভাবে রমজানকে উদযাপন করা হলেও গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর থেকে গেল বছর থেকে নতুন উদ্যমে রমজানকে স্বাগত জানানো হচ্ছে।
সেই ধারাবাহিকতায় এবছরও আত্মশুদ্ধি, সংযম ও সম্প্রীতির এই মহিমান্বিত মাসকে ঘিরে পুরো ক্যাম্পাসে তৈরি হয়েছে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ। আর এ কাজে হল প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছে হল সংসদগুলো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীমউদ্দীন হল, স্যার এ এফ রহমান হল, বিজয় ৭১ হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, শহীদ ওসমান হাদী হল (প্রস্তাবিত), কবি সুফিয়া কামাল হল, ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ হল, হাজী মোহাম্মদ মুহসিন হলসহ বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রবেশদ্বারকে ঝলমলে আলোকসজ্জা দ্বারা সজ্জিত করা হয়েছে।
গেটজুড়ে শোভা পাচ্ছে রমজানের শুভেচ্ছাবার্তা। ঐতিহ্যবাহী চাঁদ-তারা, মসজিদের মিনার ও ইসলামী নকশায় সাজানো হয়েছে হলের প্রবেশপথ। ঝুলানো হয়েছে রমজান থিমের ব্যানার ও ফেস্টুন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের আনাগোনায় সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে পুরো ক্যাম্পাস এলাকা।
রমজানকে সামনে রেখে হল সাজানোর বিষয়ে কবি জসীমউদ্দীন হল সংসদের ভিপি (সহ-সভাপতি) ওসমান গণি বলেন,‘রমজান হলো ত্যাগ, ধৈর্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাস। আমরা হল সংসদ ও প্রশাসনের উদ্যোগে আলোকসজ্জা করেছি যেন শিক্ষার্থীরা ইফতার, তারাবি ও ধর্মীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে অনুপ্রাণিত হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা ঐক্য, সম্প্রীতি ও ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই।
ভবিষ্যতেও এমন সুন্দর উদ্যোগ অব্যাহত রাখবো ইনশাআল্লাহ। ’
হলকে এভাবে সাজানোর মধ্যেও পরিবারকে মিস করছেন সূর্য সেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হাবিব। তিনি জানান, ‘হলগুলোতে রমজান উপলক্ষে উৎসবের আমেজ মন ভালো করে দেয়। পরিবার থেকে দূরে হলের বাকিদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি এবং বর্ণিল রঙে সুসজ্জিত হল অন্যরকম অনুভূতি দেয়। ’