1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
থানচিতে ৪৩ একর অবৈধ পপি খেত অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। - সংবাদ এইসময়
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চীনে উৎসব ও ইবাদতের বিরল সন্ধিক্ষণ: নববর্ষের আমেজেই মাহে রমজান রোজা না রেখে মসজিদের ইফতার খাওয়া যাবে? যা বলছেন ফকিহরা হিরো আলমকে নিয়ে উজ্জ্বলের সিনেমা, প্রদর্শনের অযোগ্য শরীয়তপুরে শিক্ষকের উপর স/ন্ত্রা/সী হা/ম/লা, হাত ভেঙ্গে দিল স/ন্ত্রা/সীরা। থানচিতে ৪৩ একর অবৈধ পপি খেত অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। বন্ধ কারখানা খুলে কর্মসংস্থান বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধার বরিশাল থেকে ঢাকায়, ফ্যাশন ফটোগ্রাফিতে নিজের জায়গা গড়ার গল্প গুলিস্তানে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অবনতি, অভিযোগ টিআই’র বিরুদ্ধে ব্রাইডাল ,র‍্যাম্প, ব্র্যান্ড ও পড়াশোনা, সমানতালে এগিয়ে চলেছেন নিলিমা হাসান মোহনা

থানচিতে ৪৩ একর অবৈধ পপি খেত অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী।

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

‎উমংনু মারমা
‎বান্দরবান প্রতিনিধি।

‎দুর্গম পাহাড়,সীমান্তঘেঁষা জনশূন্য এলাকা আর প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল নিষিদ্ধ পপি চাষ। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) অবশেষে বড় ধরনের অভিযানে সেই চক্রের ওপর আঘাত হেনেছে যৌথ বাহিনী। বান্দরবানের থানচি উপজেলার গভীর পাহাড়ি অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৯ একর পপিক্ষেত ধ্বংস করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।

‎গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি-এর সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ টহল দল পাহাড়ি দুর্গম পথ অতিক্রম করে অন্তত ১২টি পৃথক স্থানে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পপি গাছ উপড়ে ফেলে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় তা ব্যবহার করা না যায়।

‎সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধ্বংস করা ক্ষেত থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কেজি আফিম উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। উদ্ধার ও ধ্বংসকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

‎মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল বিশেষ করে ডিমপাহাড় ও সাঙ্গু নদী সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় গোপনে পপি চাষের বিস্তার ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব এলাকায় এখনও শতাধিক একরের বেশি জমিতে নিষিদ্ধ এ চাষাবাদ চলছে, যার পেছনে সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়।

‎আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলে মাদকচক্রের বিস্তার ঠেকাতে সীমান্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, পাহাড়ে মাদক উৎপাদনের উৎস ধ্বংস করা গেলে চোরাচালানও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

‎স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এমন ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো গেলে পার্বত্য এলাকায় মাদকচক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া সম্ভব।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট