1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
তুরস্কে পাহাড়ের নিচে মিলল ১ হাজার ৬০০ বছরের পুরোনো ওয়াইনের কারখানা - সংবাদ এইসময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দরিদ্র পরিবার থেকে যেভাবে ক্ষমতার শীর্ষে উঠে এসেছিলেন আলি খামেনি কাছের মানুষদের নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করলেন আদ্রিকা এ্যানী পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সকল প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যহীন ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান মাগফিরাতের দশক: আল্লাহর ক্ষমা পেতে যেসব আমল করবেন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হাম/লার দাবি ইরানের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭৭ (সাতাত্তর) জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি শেরপুরে সরকারি মাধ্যমিক স্তরের ৬ হাজার কপি বই জব্দ,ভাঙ্গারীর স্টোর সিলগালা বাগমারায় সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণের শুভ উদ্বোধন ও দোয়া অনুষ্ঠান শরীয়তপুরে নড়িয়ায় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আল্লাহর জ্ঞানের বিশালতা ও পরিব্যাপ্তি

তুরস্কে পাহাড়ের নিচে মিলল ১ হাজার ৬০০ বছরের পুরোনো ওয়াইনের কারখানা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

ছবি: সংগৃহীত

প্রত্নতাত্ত্বিক খনন সব সময় আমাদের মুগ্ধ করে। মাটির স্তর খুঁড়ে অতীতের গল্প খুঁজে পাওয়া মানেই যেন হারিয়ে যাওয়া সময়ের সঙ্গে কথোপকথন। কখনো মাটির পাত্রের টুকরা, কখনো মুদ্রা, কখনো বা প্রাচীন বসতির ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিদর্শনই নীরবে জানিয়ে দেয়—মানুষ একসময় এখানে ছিল।

সম্প্রতি এমনই এক অভিযানে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা তুরস্কের খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক চমকপ্রদ নিদর্শন আবিষ্কার করেছেন। দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওয়েমাকলি গ্রামসংলগ্ন কাহতাহ দুর্গের কাছে তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন ওয়াইন তৈরির প্রাচীন এক কারখানা।

আনাদোলু এজেন্সি ১৬ অক্টোবর এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, ওয়াইন তৈরির কারখানাটির বয়স প্রায় ১ হাজার ৬০০ বছর। প্রত্নতাত্ত্বিকেরা সেখানে আঙুর প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত স্থাপনা, পানি সংরক্ষণের জন্য জলাধার ও শক্তপোক্ত পেষণযন্ত্রও পেয়েছেন।

গবেষকেরা বলছেন, এই স্থাপনাগুলোর নকশা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া রোমান যুগের মদের কারখানাগুলোর সঙ্গে আশ্চর্য রকমভাবে মিলে যায়। সে সময় হাতে বা কাঠের বিম দিয়ে পিষে আঙুরের রস বের করা হতো। পাথরের নালার ভেতর দিয়ে সেই রস গিয়ে পড়ত পাথরের তৈরি বড় পাত্রে। এরপর গাঁজন প্রক্রিয়ার জন্য বড় মাটির কলসিতে আঙুরের রস সংরক্ষণ করা হতো।

খননে পাওয়া স্থাপনার ভিত্তি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, জায়গাটি চতুর্থ শতকের। সে সময় তুরস্কজুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল খ্রিষ্টধর্ম।

স্থানীয় জাদুঘরের পরিচালক মেহমেত আলকান জানান, অসম মাপের পাথরে নির্মিত হওয়া সত্ত্বেও স্থাপনাটির ভিত্তি ‘এখনো ভালোভাবে টিকে আছে, যা অবিশ্বাস্য’।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট