1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
তুরস্কে পাহাড়ের নিচে মিলল ১ হাজার ৬০০ বছরের পুরোনো ওয়াইনের কারখানা - সংবাদ এইসময়
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না : রিজওয়ানা বাগমারায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল রোয়াংছড়িতে এনসিপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। আমাদের বেতনের টাকা আসে স্পন্সর ও আইসিসি থেকে: মিরাজ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ই/সরায়েল ফটিকছড়িতে মনোনয়ন ফিরে পেলেন রবিউল হাসান তানজিম সবার দোয়া ও ভালবাসায় অভিনয় করে এগিয়ে যেতে চাই : অভিনেতা ইমরান হাসো শেরপুরে অবকাশ স্বপ্ন কৃষি সমবায় সমিতির ১ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হাফিজ বাউলার সুরে রাজু মন্ডলের কণ্ঠে প্রকাশ পেলো ‘গোপন কুটির’ প্রকাশ পেল টুটুল -লাবন্য’র ‘সেই মানুষটা তুমি’

তুরস্কে পাহাড়ের নিচে মিলল ১ হাজার ৬০০ বছরের পুরোনো ওয়াইনের কারখানা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

ছবি: সংগৃহীত

প্রত্নতাত্ত্বিক খনন সব সময় আমাদের মুগ্ধ করে। মাটির স্তর খুঁড়ে অতীতের গল্প খুঁজে পাওয়া মানেই যেন হারিয়ে যাওয়া সময়ের সঙ্গে কথোপকথন। কখনো মাটির পাত্রের টুকরা, কখনো মুদ্রা, কখনো বা প্রাচীন বসতির ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিদর্শনই নীরবে জানিয়ে দেয়—মানুষ একসময় এখানে ছিল।

সম্প্রতি এমনই এক অভিযানে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা তুরস্কের খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক চমকপ্রদ নিদর্শন আবিষ্কার করেছেন। দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওয়েমাকলি গ্রামসংলগ্ন কাহতাহ দুর্গের কাছে তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন ওয়াইন তৈরির প্রাচীন এক কারখানা।

আনাদোলু এজেন্সি ১৬ অক্টোবর এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, ওয়াইন তৈরির কারখানাটির বয়স প্রায় ১ হাজার ৬০০ বছর। প্রত্নতাত্ত্বিকেরা সেখানে আঙুর প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত স্থাপনা, পানি সংরক্ষণের জন্য জলাধার ও শক্তপোক্ত পেষণযন্ত্রও পেয়েছেন।

গবেষকেরা বলছেন, এই স্থাপনাগুলোর নকশা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া রোমান যুগের মদের কারখানাগুলোর সঙ্গে আশ্চর্য রকমভাবে মিলে যায়। সে সময় হাতে বা কাঠের বিম দিয়ে পিষে আঙুরের রস বের করা হতো। পাথরের নালার ভেতর দিয়ে সেই রস গিয়ে পড়ত পাথরের তৈরি বড় পাত্রে। এরপর গাঁজন প্রক্রিয়ার জন্য বড় মাটির কলসিতে আঙুরের রস সংরক্ষণ করা হতো।

খননে পাওয়া স্থাপনার ভিত্তি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, জায়গাটি চতুর্থ শতকের। সে সময় তুরস্কজুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল খ্রিষ্টধর্ম।

স্থানীয় জাদুঘরের পরিচালক মেহমেত আলকান জানান, অসম মাপের পাথরে নির্মিত হওয়া সত্ত্বেও স্থাপনাটির ভিত্তি ‘এখনো ভালোভাবে টিকে আছে, যা অবিশ্বাস্য’।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট