1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
গাজার দিকে ধেয়ে আসছে ভ/য়া/বহ ঝড়, ঝুঁ*কিতে ৯ লাখ ফি*লি*স্তি*নি - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মদ বিক্রেতা ও পানকারীদের প্রতি ইসলামের কঠোর বার্তা শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত সাভার স্বর্ণকলি আদর্শ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না : রিজওয়ানা বাগমারায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল রোয়াংছড়িতে এনসিপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। আমাদের বেতনের টাকা আসে স্পন্সর ও আইসিসি থেকে: মিরাজ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ই/সরায়েল ফটিকছড়িতে মনোনয়ন ফিরে পেলেন রবিউল হাসান তানজিম সবার দোয়া ও ভালবাসায় অভিনয় করে এগিয়ে যেতে চাই : অভিনেতা ইমরান হাসো

গাজার দিকে ধেয়ে আসছে ভ/য়া/বহ ঝড়, ঝুঁ*কিতে ৯ লাখ ফি*লি*স্তি*নি

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সংগৃহীত ছবি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঝড়। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলে আশ্রয় নেওয়া ৯ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মারাত্মক বন্যা ও মানবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে পড়েছেন।

আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি আগ্রাসনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে গেছে। এতে ঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

খান ইউনিস পৌরসভার মুখপাত্র সাঈদ লাক্কান জানান, ঝড়টি “অত্যন্ত বিপজ্জনক”; উপকূলজুড়ে হাজারো তাঁবু ও আশপাশের এলাকা ডুবে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ড্রেনেজ লাইন ও পানিনিষ্কাশনের পুকুর স্থানীয়দের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফিলিস্তিনি আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার ও শনিবার নিচু অঞ্চল এবং উপত্যকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা করেছে।

লাক্কান আরও জানান, ৯ লাখের বেশি মানুষ চরম দুর্দশায় আছে এবং সড়ক, পানি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার ৮৫ শতাংশই ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইসরায়েলি হামলার ক্ষয়ক্ষতি হিসেবে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ এখনো সরানো যায়নি। প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার মিটার সড়ক, ৩ লাখ মিটার পানি লাইন এবং ১ লাখ ২০ হাজার মিটার ড্রেনেজ লাইন ধ্বংস হয়েছে বলেও জানান লাক্কান।

জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ড্রেনেজ–পাম্পিং স্টেশনগুলো যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যুদ্ধবিরতির পর থেকে পৌর কর্তৃপক্ষ পেয়েছে মাত্র ১৬ হাজার লিটার ডিজেল, যা দিয়ে তিন দিনের বেশি কাজ চালানো সম্ভব নয়।

ঝড়ের প্রভাব কমাতে জরুরি ভিত্তিতে মোবাইল পাম্প, জ্বালানি ও অতিরিক্ত সরঞ্জাম প্রয়োজন বলে তিনি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ অপসারণ ও জরুরি সেবা পুনর্গঠনের জন্য দ্রুত আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন।

ইসরায়েলের হামলায় গাজার বিপর্যস্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইউএনআরডব্লিউএ জানায়, গাজায় ২ লাখ ৮২ হাজারের বেশি বাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে হাজারো পরিবার শীতের আগমুহূর্তে জরাজীর্ণ তাঁবুতে বসবাস করছে।

গত দুই বছর ধরে ঝড়-বৃষ্টি ও বন্যায় হাজারো তাঁবু প্লাবিত বা ছিন্নভিন্ন হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর জানায়, গোটা এলাকার ৯৩ শতাংশ তাঁবু ভেঙে পড়েছে বা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে গেছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট