1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
কচা নদীর ভাঙনে হারতা–সাতলা সড়ক বিলীন, তিন জেলার যোগাযোগ বিপর্যস্ত - সংবাদ এইসময়
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন

কচা নদীর ভাঙনে হারতা–সাতলা সড়ক বিলীন, তিন জেলার যোগাযোগ বিপর্যস্ত

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

মাহবুব হাসান স্টাফ রিপোর্টার

বরিশালের উজিরপুরে কচা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে হারতা–সাতলা প্রধান সড়কের দীর্ঘাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে পড়েছে। এতে বরিশাল, গোপালগঞ্জ ও খুলনা—তিন জেলার লক্ষাধিক মানুষের চলাচল একপ্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় জনদুর্ভোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি কৃষি ও মৎস্য খাতেও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়—দীর্ঘদিন ধরেই নদীর স্রোত ও ভাঙনের চাপে টিকে থাকা সড়কটি হঠাৎ করেই তলিয়ে যায় কচা নদীতে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন উজিরপুর, কোটালিপাড়া, গোপালগঞ্জ ও খুলনাসহ অন্তত তিন জেলার মানুষ যাতায়াত করতেন। হঠাৎ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও কৃষকের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বড় সংকট তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কৃষক ও মৎস্যচাষিরা জানান, সড়কটি পুরোপুরি বিলীন হলে শতকোটি টাকার ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। এলাকাজুড়ে রয়েছে বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত, মৎস্য ঘের ও বাণিজ্যিক পোলট্রি খামার। সড়ক ধসে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেলে পণ্য পরিবহন কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষ করে মাছ পরিবহন ব্যাহত হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ—নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং কচা নদীর স্রোতের তীব্রতাই ভাঙনের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা বলছেন, ভাঙন রোধে স্থায়ী উদ্যোগ না নেওয়ায় আজ এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি পুরোপুরি নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার পথে। সড়কটির আওতায় থাকা একাধিক স্কুল–মাদ্রাসা, বাজার, মৎস্য ঘের এবং কৃষিজমি এখন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।

সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, “একটি সড়কের ওপর তিন জেলার মানুষের জীবন–জীবিকা নির্ভর করে। ব্যবসায়ী ও কৃষকের কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে এখানে। সড়কটি সম্পূর্ণ ভেঙে গেলে ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে সবাই।”

উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় জানান, “ঘটনাটি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজাও বলেন, “ভাঙন পরিস্থিতি নজরদারিতে রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রকৌশল দপ্তরকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয়রা বলছেন, এই সড়কটি পুনর্নির্মাণ ও নদীভাঙনরোধে জরুরি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট