1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
গাছে চড়ে শিকার ধরত প্রাগৈতিহাসিক কুমির! - সংবাদ এইসময়
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিল্কিওয়েতে সাদা নক্ষত্রের অদ্ভুত আচরণে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা মদ বিক্রেতা ও পানকারীদের প্রতি ইসলামের কঠোর বার্তা শ্রীবরদীর ভেলুয়া বাজারে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত সাভার স্বর্ণকলি আদর্শ বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না : রিজওয়ানা বাগমারায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল রোয়াংছড়িতে এনসিপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। আমাদের বেতনের টাকা আসে স্পন্সর ও আইসিসি থেকে: মিরাজ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ই/সরায়েল ফটিকছড়িতে মনোনয়ন ফিরে পেলেন রবিউল হাসান তানজিম

গাছে চড়ে শিকার ধরত প্রাগৈতিহাসিক কুমির!

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রতীকী ছবি

অস্ট্রেলিয়ার কুইনসল্যান্ডে উন্মোচিত হল কোটি বছরের এক বিস্ময়। খামারবাড়ির জমি খুঁড়তে গিয়ে মিলেছে সাড়ে পাঁচ কোটি বছরের প্রাগৈতিহাসিক কুমিরের ডিমের খোসা; যে কুমির শুধু গাছে চড়তই না, গাছের ডাল থেকে ঝাঁপিয়ে শিকারও ধরত!

এই বিলুপ্ত সরীসৃপগোষ্ঠীর নাম মেকোসুচিন কুমির। চার দশক আগে যে জায়গায় খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছিল, সেখান থেকেই প্রায় ৪২ বছর পর এই গুরুত্বপূর্ণ জীবাশ্ম উদ্ধার করেছেন আন্তর্জাতিক জীবাশ্মবিদদের যৌথ দল। গবেষকদের দাবি, এ হল এখন পর্যন্ত পাওয়া মেকোসুচিন কুমিরের সর্বাধিক প্রাচীন নিদর্শন।

স্পেনের বার্সেলোনার ‘ইনস্টিটিউট ক্যাটালা ডি প্যালিওন্টোলজিয়া মিকেল ক্রুসাফন্ট’-এর নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় উঠে এসেছে, এই প্রাগৈতিহাসিক কুমিরেরা প্রায় ৫ মিটার লম্বা হত। এদের শরীরের গঠন ও নখর এমন ছিল যে সহজেই গাছে চড়তে পারত। শুধু তাই নয় গাছের ডাল থেকে ঝাঁপিয়ে শিকার ধরতেও ছিল একেবারে ওস্তাদ। গবেষকেরা এদের ডাকছেন, ‘ড্রপ ক্রোক’।

নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গবেষকদলের সদস্য মাইকেল আর্চারের কথায়, এরা অনেকটা চিতাবাঘের মতো আচরণ করত। জঙ্গলের মধ্যে উপযুক্ত সুযোগ পেলেই গাছের উপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে শিকার ধরত। অনেক ‘ড্রপ ক্রোক’ দীর্ঘ সময় গাছেই কাটাত বলে অনুমান।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় মেকোসুচিন কুমিরের জীবাশ্ম মিললেও সেগুলি তুলনায় কম বয়সী; প্রায় আড়াই কোটি বছরের।

নতুন আবিষ্কৃত ডিমের খোসা বিজ্ঞানীদের কাছে যেন টাইম ক্যাপসুল, যা এই প্রাচীন কুমিরের অভিযোজন ক্ষমতা ও জীবনযাত্রা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা দিচ্ছে।
জীবাশ্মবিদদের মতে, বর্তমান অস্ট্রেলিয়ার লবণাক্ত ও মিষ্টি জলের কুমির প্রজাতির আগমন প্রায় ৩৮ লক্ষ বছর আগের। কিন্তু তার বহু বহু আগে, অস্ট্রেলিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে অবাধে বিচরণ করত এই গাছে চড়া রহস্যময় কুমিরেরা। সম্ভবত এদের শেষ প্রজাতি পৃথিবীর বুকে দেখা গিয়েছিল আজ থেকে মাত্র তিন হাজার বছর আগে।

‘জার্নাল অফ ভার্টিব্রেট প্যালিওন্টোলজি’-তে প্রকাশিত সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে, এই নতুন ডিমের খোসাগুলি শুধু অস্ট্রেলিয়ার প্রাগৈতিহাসিক জীববৈচিত্র্যই নয়, সরীসৃপদের বিবর্তন ইতিহাসও নতুন করে দেখার সুযোগ দেবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট