হাবিবুর রহমান (সুজন)
মানবতার পথচলায় এক উজ্জ্বল নাম মো: ইসমাইল হোসেন। নিজের স্বার্থ ভুলে মানুষের কল্যাণে কাজ করা যাঁর নেশা, সমাজসেবা যাঁর আত্মার তৃপ্তি—ঠিক এমন একজন মানুষের পরিচয় তিনি। এলাকার মানুষ তাঁকে ভালবেসে ডাকেন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’, আবার কেউ বলেন ‘পর উপকারের অক্লান্ত যোদ্ধা’।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিঃস্ব, অসহায়, বিপদগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন বিনিময়হীন মানবিকতা নিয়ে। কখনো অসুস্থ রোগীর চিকিৎসার খরচ জুগিয়েছেন, কখনো অভাবী পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্যসহায়তা—আবার কখনো নিজের সময়, শ্রম, মমতা বিলিয়ে দিয়েছেন একান্ত প্রয়োজনের মুহূর্তে।
মো: ইসমাইল হোসেনের মানবিক কর্মকাণ্ডের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো নীরব সেবা। আলোচনার বাইরে থেকে, প্রচারের প্রত্যাশা ছাড়াই মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর অভ্যাস। সমাজের যেকোনো সংকটময় সময়—প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা কিংবা অসহায় মানুষের আর্তনাদ—তিনি সবার আগে ছুটে যান সাহায্যের হাত বাড়িয়ে।
এলাকার তরুণদের কাছে তিনি এক অনুপ্রেরণা। তাঁর প্রচেষ্টায় অনেকেই সমাজসেবায় এগিয়ে আসছেন। মানবতার এই চর্চা ছড়িয়ে দিতে তিনি নিয়মিত আয়োজন করেন বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচিও।
মানবিকতা দিয়ে সমাজ বদলে দেওয়া যায়—এ বিশ্বাসে অবিচল থেকে মো: ইসমাইল হোসেন আজ স্থানীয় মানুষের হৃদয়ে এক নির্ভরতার নাম। তাঁর মতো মানুষ যত বাড়বে, সমাজ তত হবে সুন্দর, নিরাপদ।