1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
দীর্ঘ ১,৫১,৫৩৬ ঘণ্টা পর নিজদেশে জননেতা তারেক রহমান। - সংবাদ এইসময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দরিদ্র পরিবার থেকে যেভাবে ক্ষমতার শীর্ষে উঠে এসেছিলেন আলি খামেনি কাছের মানুষদের নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করলেন আদ্রিকা এ্যানী পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সকল প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যহীন ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান মাগফিরাতের দশক: আল্লাহর ক্ষমা পেতে যেসব আমল করবেন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হাম/লার দাবি ইরানের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭৭ (সাতাত্তর) জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি শেরপুরে সরকারি মাধ্যমিক স্তরের ৬ হাজার কপি বই জব্দ,ভাঙ্গারীর স্টোর সিলগালা বাগমারায় সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণের শুভ উদ্বোধন ও দোয়া অনুষ্ঠান শরীয়তপুরে নড়িয়ায় গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আল্লাহর জ্ঞানের বিশালতা ও পরিব্যাপ্তি

দীর্ঘ ১,৫১,৫৩৬ ঘণ্টা পর নিজদেশে জননেতা তারেক রহমান।

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

জিহাদুল ইসলাম(জিহাদ)

৫ই আগস্টের পরপরই যদি তারেক রহমান দেশে ফিরতেন, তাহলে দৃশ্যপটটা হয়তো একেবারেই ভিন্ন হতো। তখন চারদিকজুড়ে ছিল ইউনুস বন্দনার জোয়ার। নোবেল লরিয়েট, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, সুশীলতার মোড়কে মোড়ানো “উদ্ধারক” গল্প—সব মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন সময়ের নায়ক। সেই আবহে তারেক রহমান আসলে গৌণ চরিত্রে পরিণত হতেন—এ কথা তিনি নিজেও ভালোভাবেই জানতেন।কিন্তু রাজনীতিতে সময়ই আসল অস্ত্র।

তারেক রহমান জানতেন, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা কতটা দুরূহ। ইতিহাস বলে, তথাকথিত “অরাজনৈতিক” বা সুশীল সরকারের মোহ খুব দ্রুতই কাটে। বাস্তবতাও ঠিক সেটাই দেখিয়েছে।আইনশৃঙ্খলার অবনতি, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের গুঞ্জন, জনজীবনের নিরাপত্তাহীনতা, মবোক্রেসির উত্থান, জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে ব্যর্থতা—এসব এখন আর গোপন অভিযোগ নয়, প্রকাশ্য আলোচনার বিষয়।
যারা একসময় পাঁচ বছরের জন্য এই ব্যবস্থাকে সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন, তারাও এখন পিছিয়ে আসছেন। মানুষের উপলব্ধি ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে—নোবেল লরিয়েট হওয়া আর একটি জটিল রাষ্ট্র চালানো এক জিনিস নয়। সুশীল মুখ নয়, দরকার রাজনৈতিক সরকার, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা।

ঠিক এই ভাঙনের মুহূর্তেই এল সেই ঘোষণা—তারেক রহমান আসছেন। এরপর যা ঘটেছে, তা এক কথায় রাজনৈতিক বিস্ফোরণ। দেশের মিডিয়ার টকশো থেকে শুরু করে সংবাদ শিরোনাম, ফেসবুক টাইমলাইন থেকে চায়ের দোকানের আড্ডা—সবখানেই একটাই আলোচনা: তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন। তিনি হয়তো এই মুহূর্তে সরাসরি কিছু করতে পারবেন না। ক্ষমতা তার হাতে নেই, প্রশাসনও নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো—মিডিয়া তাকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, সাংস্কৃতিক অঙ্গন তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, প্রায় সব রাজনৈতিক দলই যেন নীরবে তাকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই মেনে নিয়েছে।

এটা কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়, কিন্তু এক ধরনের অঘোষিত স্বীকৃতি। এই অর্জনটা তাকে অন্য সবার চেয়ে কয়েক আলোকবর্ষ এগিয়ে দিয়েছে। রাজনীতিতে অনেক সময় দেরি করাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত হয়ে দাঁড়ায়। ছয় মাস আগে তিনি এলে এতটা উত্তাপ, এতটা ক্রেজ, এতটা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হতো না—এ কথা এখন অনেকেই স্বীকার করছেন।

সব মিলিয়ে বলা যায়, এটি আবেগের রাজনীতি নয়, এটি নিখুঁত সময়জ্ঞান। রাজনীতির দাবার বোর্ডে হয়তো এখনো খেলা শেষ হয়নি, কিন্তু এই চালটা নিঃসন্দেহে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট