মো আবদুল করিম সোহাগ
ঢাকা
চাঁদপুর জেলার মতলবের ছোট্ট গ্রামে জন্ম জেনিফার জুঁইয়ের, তবে ছোট থেকে ই বেড়ে উঠা হয়েছে ঢাকায়। এই তরুন অভিনেত্রী জেনিফার জুই আজ বাংলা মিডিয়ায় এক পরিচিত ও সম্ভাবনাময় নক্ষত।
২০০২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করা জেনিফার জুঁই। বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী আর মা একজন গৃহিনী। মা, বাবার একমাত্র রাজকন্যা জেনিফার জুঁই। বর্তমানে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অধ্যায়নরত। তার ইচ্ছে উচ্চ শিক্ষিত হওয়া। তাই তিনি পড়াশোনা চালিড়ে যাচ্ছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি অভিনয়ের জগতে নিয়মিত কাজ করে নিজেকে প্রস্তুুত করতে চান আরও বড় পরিসরে ।
তবে প্রথম কাজের পরপরই তাকে পরিবারের বাধার মুখে পড়তে হয়। মিডিয়ায় কাজ করাকে সহজভাবে নিতে না পারায় তিনি প্রায় দুই বছরের বিরতি নেন। এই সময়টাতে নিজেকে গুছিয়ে নেওয়া, পড়ালেখা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই ছিল তার মূল লক্ষ্য।
সীমিত সুযোগ আর নানা সামাজিক বাধা পেরিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে ও পরিশ্রমকে সঙ্গী করে তিনি এগিয়ে যেতে চান নিজের স্বপ্নের লক্ষে। ব্যক্তিগত জীবনকে এক পাশে রেখেই তিনি মনোযোগ দিচ্ছেন নিজের ক্যারিয়ার গড়ার দিকে। তাই তিনি ক্যারিয়ার গড়ার পড়েই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০২৩ সালে তার মিডিয়ায় পথচলা শুরু হয়, একটি জনপ্রিয় ‘ম্যাঙ্গো ড্রিংকস’–এর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে, পরে আরেকটি চাটনির আচারের বিজ্ঞাপন করেন তিনি। দুটি বিজ্ঞাপন করার পর তখন ছোট থাকায় পরিবারের থেকে বাধায় আশায় দুবছর মিডিয়ায় কাজ বন্ধ রাখেন তিনি। দুবছর কাজ বন্ধের পর আবার পুনরায় ২০২৩ সালে মিডিয়ায় পা রাখেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর পরিবারের সমর্থন নিয়ে আবারও মিডিয়ায় ফিরে আসেন জেনিফার জুই। ফিরে এসেই নাটক ও ধারাবাহিকে নিয়মিত কাজের সুযোগ পান তিনি। ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে তার কাজ আবার শুরু করেন।
ওয়েব কনটেন্টে তার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে ভিকি জাহিদ পরিচালিত ‘রেড রুম, যা তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে ধরা হয়। সেখানে তার সহ অভিনেত্রী ছিলেন মেহজাবিন। এছাড়াও তিনি কাজ করেছেন ‘দশ টাকার শান্তি মলম’ এবং দীপ্ত টেলিভিশনের ‘দেনাপাওনা’-এর মতো প্রজেক্টে। এসব কাজের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন, ছোট চরিত্র হলেও নিজেকে তুলে ধরার ক্ষমতা তার রয়েছে।