নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ঘাটকূল কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য পাঁচ শো’ টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে। এক অভিভাবক তার শিশুকে ভর্তি করানোর জন্য বিদ্যালয়ে গেলে স্কুলের সহকারী শিক্ষিকারা ওই অভিভাবকের নিকট ৫০০/ টাকা ভর্তির জন্য চেয়েছিলেন পরে ওই অভিভাবক তার শিশুকে ভর্তি না করে স্কুল থেকে বের হয়ে মাদ্রাসায় ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী অভিভাবক জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি সাধারণত ফ্রি হওয়া সত্ত্বেও, ঘাটকূল কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকারা এ ধরনের অর্থের দাবি করেন, অভিভাবক বলেন আমার শিশুকে ভর্তি করতে ৫০০/ টাকা চাওয়া হয়েছে, যা সরকারি নিয়মে সম্পূর্ণ অন্যায়, অন্য দিকে স্কুলের কয়েক জন শিক্ষার্থীরা বলেন আমাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০/ টাকা নিয়ে থাকেন প্রধান শিক্ষক, কি কারণে তাদের কাছ থেকে দশ টাকা নেওয়া হয়,এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা বলেন আমাদের স্কুলে একজন আয়া রেখেছেন প্রধান শিক্ষক স্যার তার বেতনের কথা বলে প্রতি মাসে দশ টাকা করে নেন।
কিছু শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে আয়ার বেতনের কথা বলে আমাদের কাছ থেকে দশ টাকা নেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষিকারা এই ধরনের অনিয়ম যদি করতে থাকেন তাহলে এই অনিয়ম ধীরে ধীরে নিয়মে পরিণত হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম অভিযোগ স্বীকার করে জানান আমাদের স্কুলে একজন আয়া আছেন, তার বেতনের জন্য আমি টাকা নিয়েছি।
সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এলাকাবাসী আশা করছেন অতি দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে, এবং বিদ্যালয়ের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি প্রক্রিয়া পুনরায় স্বাভাবিক হবে বলে ধারণা করছেন।
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে পরবর্তী প্রতিবেদন দেখতে চোখ রাখুন।