নুরুল আলম
“এই জয় বাংলাদেশের মানুষের জয়”
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বহুল আলোচিত বিজয়কে কেন্দ্র করে তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন ‘সংবাদ এই সময়’-এর সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবুল। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, “এই জয় কোনো ব্যক্তি বা দলের একক সাফল্য নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের জয়—গণতন্ত্রে আস্থা রাখা কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।
সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবুল তাঁর বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, মতপার্থক্য ও নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলা দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি ইতিবাচক পরিবর্তন। সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে সাম্প্রতিক এই বিজয়ে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের জনগণ সবসময় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেবে।
তিনি বলেন, “গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা। জনগণ যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছে, তা যেন দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মাধ্যমে সম্মানিত হয়।”
জনগণের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
সম্পাদক বাবুল তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে নতুন প্রত্যাশার জন্ম হয়েছে। জনগণ চায়—
দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন
আইনের শাসন নিশ্চিতকরণ
কর্মসংস্থান বৃদ্ধি
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে কার্যকর সংস্কার
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের নিরাপদ পরিবেশ
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং জাতীয় ঐক্যই হতে পারে আগামী দিনের মূল শক্তি। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সকল মত ও পথের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে।
গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ঐক্যের বার্তা
মিজানুর রহমান বাবুল তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিজয়-পরাজয় গণতন্ত্রের অংশ। তবে শেষ পর্যন্ত জয়ী হওয়া উচিত দেশের স্বার্থ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গণমানুষের আস্থা অটুট রাখতে নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনায় মনোযোগী হবে।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ আজ সম্ভাবনার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। তরুণ প্রজন্মের শক্তি, প্রবাসীদের অবদান এবং দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনশীলতা—সব মিলিয়ে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে হলে দায়িত্বশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অপরিহার্য।”
সংবাদ এই সময়ের অবস্থান
‘সংবাদ এই সময়’ সবসময় জনগণের পক্ষে এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে সম্পাদক বলেন, “আমরা চাই একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠুক, যেখানে মতভিন্নতা থাকবে, কিন্তু সহিংসতা থাকবে না; প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু বিভাজন নয়; সমালোচনা থাকবে, কিন্তু শত্রুতা নয়।
শেষে তিনি বলেন, “এই জয় বাংলাদেশের মানুষের জয়। এই জয় ভবিষ্যতের প্রতি বিশ্বাসের জয়। আমরা আশা করি, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নেতৃত্ব দৃঢ়তা, সততা ও প্রজ্ঞার পরিচয় দেবে।