অনলাইন ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হচ্ছে কিডনি। এটি আমাদের রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্র তৈরি করা এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়। এসব কাজ করতে গিয়ে এই অঙ্গটি বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হয়। তার মধ্যে একটি হচ্ছে কিডনি ক্যান্সার।
কিডনি ক্যান্সার এমন একটি অবস্থা, যা কিডনিতে শুরু হয়। যখন একটি বা উভয় কিডনির সুস্থ কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি পায় এবং একটি ভর তৈরি করে (যাকে টিউমার বলা হয়) তখন এই সমস্যা দেখা দেয়। বেশিরভাগ মানুষ প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণ অনুভব করেন না।
অন্য কোনো সমস্যার জন্য পেটের ইমেজিং পরীক্ষা করতে গেলে কাকতালীয়ভাবে এই সমস্যাটির লক্ষণ দেখতে পাওয়া যায়।
কিডনি কোষগুলো কেন পরিবর্তিত হয় এবং ম্যালিগন্যান্ট হয়ে ওঠে তার কারণ অজানা।
ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের মতে, বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের কিডনি ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। কিডনি ক্যান্সারের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকটি ঝুঁকির কারণ রয়েছে।
রেনাল সেল কার্সিনোমা প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কিডনি ক্যান্সারের সবচেয়ে ঘন ঘন দেখতে পাওয়া রূপ।
উইলমস টিউমার, এক ধরনের কিডনি ক্যান্সার, ছোট বাচ্চাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি ক্যান্সারের কোনো লক্ষণ নাও দেখা দিতে পারে। টিউমার যখন অগ্রসর হয়, তখন লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে। ফলস্বরূপ, কিডনি ক্যান্সার প্রায়ই ছড়িয়ে পড়ার পরেই শনাক্ত করা হয়।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যে লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে তার মধ্যে রয়েছে প্রস্রাবে রক্ত, যা গোলাপি, লালচে বা কোলা রঙের মনে হতে পারে৷ পিঠের পেছন দিকে ব্যথা হতে পারে লাগাতার বা বিচ্ছিন্ন ভাবে।
এই রোগের উপসর্গের মধ্যে খাওয়ার ইচ্ছে কমে যাওয়া, অরুচির মতো লক্ষণও থাকতে পারে। কারণ ছাড়াই আচমকা কমতে পারে ওজন। যখন তখন ক্লান্তি এসে গ্রাস করতে পারে। জ্বর হতে পারে। কোনো কারণ ছাড়াই ঘন ঘন জ্বর আসতে পারে।
সূত্র : নিউজ ১৮