জিয়াউর রহমান: মাহদী আমিন
কৃষক আবাসন ঋণ কর্মসূচি চালু করেছে বাংলাদেশ
কৃষকদের আবাসন খাতে ঋণ প্রদানের জন্য কৃষক আবাসন ঋণ কর্মসূচি চালু করেছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন। কৃষকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম আবাসন ব্যবস্থা করার জন্য গৃহায়ন ঋণ কার্যক্রম চালু করা হয়। এতে বাড়ি বানাতে একজন কৃষক ২০-৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন এবং সুদের হার হবে ৭ শতাংশ পর্যন্ত।
বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন সংজ্ঞা অনুসারে, যিনি নিজের জমিতে নিজে অথবা তাঁর পরিবারের সদস্য বা শ্রমিক নিয়ে চাষাবাদ করেন অথবা অন্যের কাছ থেকে লিজ নিয়ে জমিতে চাষাবাদ করেন অথবা যিনি অন্যের মালিকানাধীন জমিতে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কৃষকের জমি বলতে নিজের জমি, অন্যের কাছ থেকে লিজ নেওয়া জমি এবং কৃষকের আবাসিক বসবাসের জমিও অন্তর্ভুক্ত হবে।
উপশহর, উপজেলা সদর এবং গ্রোথ সেন্টার এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও সচ্ছল কৃষকরা কৃষক আবাসন ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ঋণ আবেদনকারীকে জন্মসূত্রে বাংলাদেশি স্থায়ী নাগরিক হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। কৃষকের নিজ নামে বাড়ি নির্মাণ উপযোগী জমি থাকতে হবে। নির্মিতব্য বাড়িতে যাতায়াতের জন্য রাস্তাঘাট থাকাসহ এলাকার পরিবেশ বসবাসের জন্য উপযোগী হতে হবে। উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত প্ল্যান অনুযায়ী বাড়ি তৈরি করতে হবে।
ঋণগ্রহীতার ঋণের মাসিক কিস্তি নিয়মিত পরিশোধের যৌক্তিক সামর্থ্য থাকতে হবে। পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ ও চুক্তি করার ক্ষমতাসম্পন্ন স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি হতে হবে। ঋণ আবেদনকারীর বয়সসীমা ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং ঋণ আবেদনকারীর বয়স ৬৫ বছরের বেশি হলে উপযুক্ত জামিনদার নিয়োগ করতে হবে। ঋণের জন্য জামিনদার নিযুক্ত হলে তিনি আলাদাভাবে ঋণপ্রাপ্তির যোগ্য হবেন না। দেশের প্রচলিত ও উপযুক্ত আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত ব্যক্তি ঋণপ্রাপ্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। ঋণ প্রস্তাবিত সম্পত্তি দায়মুক্ত হতে হবে।