প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমান ফরাজী
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবার ধাঁচ পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নার্সিং ও মিডওয়াইফারি। হয়রানিমুক্ত ও কার্যকর পেশা হিসাবে গড়ে তোলা। তার জন্য শিক্ষা-প্রশিক্ষণ, নিয়োগ-পরিষেবা, কর্তৃত্ব-সামঞ্জস্য ও প্রশাসনিক সাপোর্ট-ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যাবশ্যক। কিন্তু সেদিক থেকে আমাদের দেশে এখনো বহু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। বিশেষভাবে, যখন আমরা কথা বলি সাধারণ নার্সদের অবস্থান নিয়ে— তাদের ভয় ও অনিশ্চয়তার বিবেচনায়, বর্তমানে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরকে প্রথম সারির এডমিনিস্ট্রেটিভ দায়িত্বে স্বাস্থয় বিভাগের অধীনে ন্যস্ত করার প্রসঙ্গে সেখানে নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনার পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্তৃত্বের সম্ভাব্য অপব্যবহার, অধিকারহীনতা ও ভয়ভীতি-সৃষ্ট পরিস্থিতিও দেখা দিচ্ছে। এই সম্পাদকীয়তে প্রথমে নার্সিং শিক্ষা ও সার্ভিসের বর্তমান পরিস্থিতি সংক্ষেপে তুলে ধরা হবে, এরপর ওই নতুন প্রশাসনিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপট ও নার্সসহ বিভিন্ন পক্ষের উদ্বেগ বিশ্লেষণ করা হবে। শেষে থাকবে সংকট ও সম্ভাবনা এক সাথে-সাথে, এবং কিছু সুপারিশও দেওয়া হবে।
এক: নার্সিং শিক্ষা ও সার্ভিসের বর্তমান অবস্থা
শিক্ষা-এর অবস্থা
বাংলাদেশে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষা গত কয়েক দশকে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মাত্র এক দশক পনেরেকের মধ্যে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজ-প্রতিষ্ঠান প্রায় ৪২০ % বাড়িয়েছে। তবে, সংখ্যায় বৃদ্ধি হলেও ‘মান’-সংক্রান্ত সমস্যা এখনো রয়ে গেছে। যেমন এখনো ডিপ্লোমা-, ব্যাচেলর- ও মাস্টার্স-স্তরে পড়াশোনা করলেও বিশেষায়িত নার্সিং (যেমন ICU, কার্ডিয়াক নার্সিং ইত্যাদি) খুব কম।
একাধিক গবেষণা দেখিয়েছে শিক্ষার্থীরা ক্লিনিকাল প্রশিক্ষণে অভিজ্ঞতা পাচ্ছে কম, তাদের শিক্ষক বা সুপারভাইজার অনেক সময় অভিজ্ঞ নয়, এবং তাদের শিক্ষাগত পরিবেশ ও বাস্তব ক্লিনিকাল পরিবেশের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে।
এছাড়া, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত বৃদ্ধি হয়েছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য-সেবার সঙ্গে যুক্ত হসপিটাল-ক্লিনিকাল অনুশীলনের সুযোগ কম।
সেবার অবস্থা
সেবার ক্ষেত্রে নার্সিং সেক্টরের বড় চ্যালেঞ্জ হলো পূর্ণসংখ্যায় নার্স নেই, এবং তাদের দক্ষতা ও অবস্থান এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
উদাহরণস্বরূপ, এক প্রতিবেদন বলছে— বাংলাদেশের দরকার রয়েছে প্রায় ৩১০,৫০০ জন নার্স, কিন্তু বাস্তবে রয়েছে মাত্র≈৫৬,৭৩৪ জন (১৮ % মাত্র)। অন্য রিপোর্ট বলছে দেশজুড়ে রয়েছে মাত্র ৮৫,০০০ জন নার্স—এতে স্পষ্ট যে ডাক্তার-নার্সের অনুপাত অত্যন্ত বিপরীতে।
আরও বলা হয়েছে, নার্সিং পেশা সামাজিকভাবে এখনো অনেক বাধার সম্মুখীন—কর্মঘণ্টা, শিফট কাজ, পুরুষ রোগীর পাশে রাতেও কাজ, ঘন-পরিবারিক দায়িত্বসহ সামাজিক মনোভাব ইত্যাদি।
সংক্ষেপে: শিক্ষা ও সেবা মিলিয়ে রয়েছে ২৩৪
সংখ্যায় উন্নয়ন হয়েছে, তবে গুণগত উন্নয়ন পিছিয়ে রয়েছে।
উপযুক্ত নিয়োগ-সংস্থান ও ক্যারিয়ার গ্রোথ নেই।
নার্সদের সামাজিক মর্যাদা, কর্মপরিবেশ ও কর্তৃত্বপ্রাপ্তি এখনো সীমাবদ্ধ।
জনগণের স্বাস্থ্যসেবা-চাহিদা দ্রুত বাড়ছে (বয়স্ক জনসংখ্যা, নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ বাড়ছে) কিন্তু নার্সিং খাতে তা আর সহমাপে সাড়া দিচ্ছে না।
এই প্রেক্ষাপটে, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরকে স্বাস্থ্য বিভাগে ন্যস্ত করার উদ্যোগ এসেছে—যেটি নতুন প্রশাসনিক রূপান্তর এনে দিতে পারে। তবে সেই রূপান্তরকে ঘিরে নার্সদের মধ্যে উদ্বেগও বেড়েছে।
দুই: প্রশাসনিক রূপান্তর-প্রেক্ষাপট ও উদ্বেগ
রূপান্তরের ধারণা
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর (DGNM) হলো জনসাধারণ সেবা-মাধ্যমে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষা-ও-সেবা-পরিচালনার জন্য বিশেষ কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এটি স্বাস্থ্য বিভাগ (Health Division) বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সেকশনের অধীনে রেখে, নার্সিং শিক্ষা-সেবা খাতকে আরও শক্তিশালী ও স্বল্পাভিজ্ঞ প্রশাসনিক গঠন দেয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় নার্সিংকে কেবল
সহায়ক’ নয়, মূল সেবাদায়ী অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করার ধারাক্রমে এই ধরনের রূপান্তর কেন্দ্রীয় হয়ে উঠেছে।
উদাহরণস্বরূপ, জাপানের Japan International Cooperation Agency (JICA)-র একটি প্রকল্প দেখায়, নার্সিং সেবার সক্ষমতা বাড়াতে DGNM-কে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
নার্সদের উদ্বেগ ও আশঙ্কা
তবে এই রূপান্তরের সাথেই কিছু সঙ্কট ও উদ্বেগ উৎপন্ন হয়েছে। বিশেষ করে সাধারণ নার্স-পেশাজীবীদের জন্য নিচের বিষয়গুলো উদ্বেগে রূপ নিচ্ছে:
প্রশাসনিক কর্তৃত্ব বাড়ার আশঙ্কা: রূপান্তরের পর প্রশাসনিক স্তরে বড় বড় বিভাগ-ব্যবস্থাপনার সঙ্গে নার্সিং সেবার সম্পর্ক বাড়বে। কিন্তু যদি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হাতে বেশি নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত-ক্ষমতা চলে আসে, তাহলে নার্সদের পেশাগত স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসন ও কর্তৃত্বহীন ভাব আরও তীব্র হতে পারে।
নার্সদের ‘ক্লিনিকাল’ দায়িত্বের ওপর হুচ্ছেন কর্তৃপক্ষের চাপ: প্রশাসনিক নিয়ম-নীতি, রূপ-নীতি, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদিতে নার্সদের কাজের পরিধি ও সময় বাড়তে পারে। ফলে মূল পেশাগত দায়িত্ব — রোগীর যত্ন — পিছিয়ে পড়তে পারে।
রূপান্তর-পরবর্তী প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা: নিয়োগ, পদের উচ্চতা, স্থানান্তর, পদোন্নতি ইত্যাদিতে নিয়ম পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে। সাধারণ নার্সদের জন্য এই ধরনের পরিবর্তন কখনও কখনও উদ্বেগমূলক, কারণ অভিজ্ঞতা বলছে পরিবর্তিত নিয়মে তাদের অধিকার কমে যেতে পারে।
উচ্চ থেকে নিচ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত-গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ কম: সাধারণ নার্সদের অভিজ্ঞতা বলছে, তাদের মতামত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রাধান্য পায় না। রূপান্তরের সময় যদি এ বিষয় বিবেচনায় না নেয়া হয়, তাহলে শতভাগ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণই থাকবে—এতে নার্সরা নিজ দায়িত্বে কাজ করতে পারবেন না, নেতৃত্বহীনতা বাড়তে পারে।
ক্যারিয়ার ও মর্যাদার প্রশ্ন: শিক্ষাগত উন্নয়ন, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, পদোন্নতির সুযোগ যতই থাকুক—যদি প্রশাসনিক কাঠামো তেমনভাবে তাদের সাপোর্ট না করে, তাহলে নার্সদের মধ্যে হতাশা ও হতবিহ্বলতা বাড়তে পারে। যেমন—‘আমি শুধু প্রশাসনের বানানো নির্দেশ পালন করছি, ক্লিনিকাল দক্ষতায় কাজ করছি না’–এই ভাবনা বাড়তে পারে।
সাধারণ নার্সদের হত বিহ্বলতা কেন বাড়ছে?
একদিকে রয়েছে বাড়তি ডাকচাপ, দীর্ঘ কাজের সময়, ঘোর তাড়াহুড়ো; অন্যদিকে রয়েছে নিয়োগ-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা ও কর্তৃত্বহীনতা। এমন পরিস্থিতিতে যখন প্রশাসনের নতুন রূপান্তর হচ্ছে, তখন সাধারণ নার্সরা বোধ করা শুরু করেছেন যে—এই রূপান্তর হয়তো তাদের জন্য বৃহৎ সুযোগ নয়, বড় ঝামেলা হতে পারে।
অতিরিক্তভাবে, অনেক সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা নার্সিং সেক্টরের প্রকৃত দৃষ্টিকোণ সবসময় বোঝেন না, নার্সিংয়ের ক্লিনিকাল ও শিক্ষাগত প্রয়োজন, পেশাগত মর্যাদা-সংক্রান্ত বিষয়, দীর্ঘ সেবা-শিফট বা রেসিডেন্স সুবিধাবিষয়ক বিষয় তারা গুরুত্ব সহকারে না নেওয়ার ফলে নার্সদের ভয় হচ্ছে—নতুন প্রশাসন তাদের ওপর ‘উচ্চস্তরের’ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করবে, তাদের কর্তৃত্ব কমিয়ে দেবে।
তিন: হুঁশিয়ারি ও প্রতিক্রিয়া – কোথায় সমস্যার মূলোৎপতন?
মূল সমস্যার উৎস
সংখ্যাতেই ঘাটতি: যেমন কয়েকটি গবেষণা দেখায় বাংলাদেশে নার্স প্রতি হাজার জনসংখ্যায় সংখ্যাটি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সুপারিশের তুলনায় অনেক কম।
গুণগত মান — বিশেষায়িততা ও উচ্চশিক্ষা-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ: নার্সিং শিক্ষার উচ্চ পর্যায়ে প্রবেশের সুযোগ এখনও সীমিত।
ক্যারিয়ার ও মর্যাদা পর্যায়ে অন্তঃসার: নার্সকে অনেক সময় সেবা-পরিচালনায় ‘সহায়ক’ পদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়; তাদের সিদ্ধান্ত-ক্ষমতা ও নেতৃত্বের সুযোগ কম।
অফিসিয়াল প্রশাসনিক কাঠামো-সংক্রান্ত দুর্বলতা: যেমন DGNM-ও আইনগত অভিভাবক সংস্থা হবার পরও সুসংগঠিত প্রশাসনিক-কর্তৃত্ব বা স্বায়ত্তশাসন পাচ্ছে না, অনেক সময় এটি সেকেন্ডারি অবস্থা রয়েছে।
নার্সিং এবং মিডওয়াইফারি সেবার মধ্যকার ভূমিকা ও স্বীকৃতিমূলক ভঙ্গুরতা: মিডওয়াইফারি-সেবার ক্ষেত্রে কিছু উন্নয়ন হয়েছে (উপজেলায় ট্রেইন্ড মিডওইফরা বড় ভূমিকা নিচ্ছেন)। তবে নার্সিং সার্ভিস সাধারণভাবে এখনো সুনির্দিষ্ট ও স্বীকৃত ‘প্রধান সেবাদাতা’ হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনি।
নিয়োগ-স্থানান্তর-পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করুন: প্রশাসনিক রূপান্তরের ফলে যদি নিয়োগ-নীতি ও ট্রান্সফার হয় তবে তা স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হোক—মেরিট, অভিজ্ঞতা, শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে।
কর্মপরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: দীর্ঘ ঘণ্টা কাজ, রাত শিফট, পুরুষ রোগীর পাশে নার্সিং—এসব সামাজিক ও ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রশাসনে এই বিষয়গুলো রাজনৈতিকভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।
মান নিয়ন্ত্রণ ও শিক্ষা-প্রশিক্ষণ উন্নয়ন করুন: ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের সুপারভিশন, নামমাত্র শিক্ষাগত কাঠামো থেকে আধুনিক পদ্ধতির দিকে যাওয়া জরুরি। সন্দেহ থাকলে গবেষণা বলছে দক্ষ নার্সের অভাব সেবার মানে বড় ধ্বস।
পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন মেকানিজম গঠন করুন: রূপান্তরের পর প্রগতি নিয়মিত পরিমাপ ও বিশ্লেষণ হোক—নার্সিং সার্ভিসে কীটা উন্নতি হচ্ছে, কোথায় সমস্যা রয়েছে, সাধারণ নার্সদের অভিজ্ঞতা কী বলছে।
সামাজিক মনোভাব পরিবর্তনে কাজ করুন: নার্সিং পেশাকে শুধু ‘সহায়ক’ নয়, ‘প্রধান সেবাদাতা’ হিসেবে প্রচার করুন—এতে নার্সদের মর্যাদা বাড়বে এবং পেশাজীবীরা উৎসাহিত হবেন।
পরিশেষে
বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষা ও সার্ভিসের সামগ্রিক চিত্র যতটা সম্ভাবনাময়, ঠিক ততটাই বিপর্যয়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। শিক্ষার প্রসার, কলেজ-প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবং মিডওয়াইফারি-সেবার উন্নয়নের দিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ ইতোমধ্যে দেখা গেছে। কিন্তু গুণগত মান, নিয়োগ-সংস্থান, পেশাগত মর্যাদা ও প্রশাসনিক সাপোর্ট এখনো অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে।
বর্তমানে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরকে স্বাস্থ্য বিভাগ–এর অধীনে নেওয়ার এই উদ্যোগ একদমই সময়োপযোগী। কারণ নার্সিং খাতে শুধু সেবা নয়, নেতৃত্ব, পরিকল্পনা, উন্নয়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভূমিকা এখন সময় দাবি করছে। তবে এই রূপান্তর যাতে সাধারণ নার্সদের ওপর অতিরিক্ত কর্তৃত্ব আরোপের মাধ্যমে না হয়, তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে। যদি না হয়—তাহলে সাধারণ নার্সরা হতো বিহ্বল অবস্থায় পড়তে পারে, আর তা থেকে সবার জন্য সেবার মানও কমে যেতে পারে।
সুতরাং, শুধু প্রশাসনিক রূপান্তর নয়—তার সঙ্গে স্বায়ত্তশাসন, অংশগ্রহণ, নিয়োগ-পদোন্নতি সুনিশ্চিতকরণ, শিক্ষাগত উৎকর্ষতা ও সামাজিক মর্যাদার উন্নয়ন একসাথে গড়ে তুলতে হবে। তবেই নার্সিং খাত দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য প্রয়োজনে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারবে, এবং সাধারণ নার্সরা নির্ভয়ে, দায়বদ্ধভাবে, সম্মানসহ কাজে নিয়োজিত হতে পারবেন।
এটি একটি যাত্রা—যাতে নার্সিং শিক্ষা-সেবা শুধুই সম্প্রসারিত নয়, গভীর ও গুণগতভাবে শক্তিশালী হবে। সেই দিকে এখন সচেতন উদ্যোগ নেওয়াই সময়ের দাবি।