নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতীকী ছবি
স্বাধীনতার পর দেশে কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত নারীর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে কি না তার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে বর্তমানে সারা দেশে ৯৪ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী কয়েদি আছেন। সহকারী কারা মহাপরিদর্শক মো. জান্নাত-উল ফরহাদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
কাশিমপুরে ২০০৭ সালে দেশের একমাত্র মহিলা কারাগার উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু তাতে রাখা হয়নি ফাঁসির মঞ্চ। কারণ এর আগে দেশে কোনো নারী আসামির ফাঁসি কার্যকরের রেকর্ড নেই।
গত বুধবার সহকারী কারা মহাপরিদর্শক মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের কারাগারে মোট ৯৪ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী কয়েদি রয়েছেন। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি। সেখানে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৫৪ জন নারী কয়েদি আছেন।’
জানা গেছে, ফাঁসি থেকে বাঁচতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনও করতে হয়নি কোনো নারীকে। কিংবা কোনো নারী কয়েদি আবেদন করেছেন, এমন দৃষ্টান্ত নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারী আসামির আবেদন সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগে কমে যাবজ্জীবন হয়েছে। কারও কারও শাস্তি কমে খালাস পাওয়ার নজিরও আছে।
আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির গত বছরের আগস্টে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন মাত্র নারীর ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমি কারা মহা অধিদপ্তরের কাছে আবেদন করেছি।’ সেই তথ্য পাননি বলেও জানান শিশির মনির।