লাইফস্টাইল ডেস্ক
রূপচর্চায় হলুদের ব্যবহার বেশ পুরনো। ত্বকের অসংখ্য সমস্যার সমাধান রয়েছে এই মসলায়। তাই বলে হলুদের গুঁড়া ত্বকে মাখা চলবে না। বরং ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে হবে কাঁচা হলুদ। এতে প্রচুর পরিমাণ কারকিউমিন থাকে যা ত্বকের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
শীতকালে ত্বক শুষ্ক ও সুক্ষ হয়ে পড়ে। বাড়তে থাকে চুলকানি। এসব সমস্যা এড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে হলুদ। এতে যেমন অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, তেমনি আছে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার ক্ষমতা। শীতে ত্বকের যত্নে ক্লিনজার, ময়েশ্চারাইজার ও ফেসপ্যাক হিসেবে কাঁচা হলুদ ব্যবহার করতে পারেন।
কাঁচা হলুদের ফেসপ্যাক
ফেসপ্যাক তৈরি করতে এক টুকরো হলুদ নিন। টকদই, মধু আর কাঁচা হলুদ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর মিশ্রণটি ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মুখ ধুয়ে নিন। টকদই আর মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
এছাড়া টকদই ত্বক এক্সফোলিয়েট করতেও সাহায্য করে। এই ফেসপ্যাক ব্যবহারে ত্বকের জেল্লা বাড়ে এবং ত্বক হয়ে ওঠে নরম ও কোমল। সপ্তাহে দুই দিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
কাঁচা হলুদের ময়েশ্চারাইজার
শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা কঠিন। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের পরও ত্বক শুকিয়ে যায়। এক চিমটি কাঁচা হলুদ বাটার সঙ্গে ঘি মিশিয়ে নিন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণটি মুখে মালিশ করুন। এরপর ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন। হলুদ আর ঘিয়ের যুগলবন্দি ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে এবং ত্বককে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে।
কাঁচা হলুদের ক্লিনজার
ক্লিনজার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন কাঁচা হলুদ। এজন্য এক চিমটি কাঁচা হলুদ বাটার সঙ্গে এক চামচ দুধের সর মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ভালো করে ত্বকে মালিশ করুন। এরপর মুখ ধুয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ত্বক পরিষ্কারের কাজ করে। এই ক্লিনজার ত্বকে জমে থাকা ময়লা, ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার করে দেয়। নিয়মিত এটি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের জেল্লা অটুট থাকবে।