1. news@sangbadeisomoy.com : সংবাদ এই সময় : সংবাদ এই সময়
  2. info@www.sangbadeisomoy.com : সংবাদ এইসময় :
টেলিভিশন কি বিনোদন দিতে ভুলে যাচ্ছে - সংবাদ এইসময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন

টেলিভিশন কি বিনোদন দিতে ভুলে যাচ্ছে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ এই সময়।

টেলিভিশন সংবাদের মাধ্যম তো বটেই, বিনোদনেরও মাধ্যম। বর্তমানে সেই বিনোদন টর্চ মেরেও খুঁজে পাওয়া মুশকিল। টিভি চ্যানেলগুলোতে খবর আর টক শোর রমরমা অবস্থা। নেই বিনোদনের বিশেষায়িত চ্যানেলও। কেন বিনোদন দিতে ভুলে গেল টিভি চ্যানেলগুলো? বিশ্ব টেলিভিশন দিবস [২১ নভেম্বর] উপলক্ষে বিষয়টির তল খোঁজার চেষ্টা করেছেন কামরুল ইসলাম

‘লস্ট চাইল্ডহুড’ শিরোনামের ছবিটি তুলেছেন পিনু রহমান। এই ছবির জন্য ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফিক কাপ প্রতিযোগিতায় বেস্ট অব নেশন-বাংলাদেশ পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি

একটা মুহূর্ত কল্পনা করা যাক। ঘরে বসে আরাম করে টেলিভিশনে একটি নাটক দেখছেন। গল্পের গুরুত্বপূর্ণ মোড়। কী হয় কী হয়, এই ভেবে মন ছটফট।

ঠিক তখনই টিভি স্ক্রিনের নিচে ভেসে উঠল ব্রেকিং নিউজ—অমুক জায়গায় লেগেছে আগুন। অথবা চলে এলো কোনো টয়লেট ক্লিনারের বিজ্ঞাপনচিত্র। কেমন লাগবে? অনুভূতিটা কমবেশি সবারই জানা। কারণ বছরের পর বছর ধরে এভাবেই চলছে দেশের টিভি চ্যানেলগুলো।

একই চ্যানেলে সমান্তরালে চলছে নাটক, সিনেমা, গান, নৃত্য, খবর, টক শো, খেলা—সবকিছু। এ যেন ছোটবেলার বই—একের ভেতর সব। কিন্তু কোনোটাই নয় পর্যাপ্ত।
বর্তমানে দেশে রাষ্ট্রীয় চ্যানেলের সংখ্যা চার—বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি ওয়ার্ল্ড, বিটিভি চট্টগ্রাম ও সংসদ টেলিভিশন।

এ ছাড়া অনুমোদিত বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সংখ্যা ৫০। এর মধ্যে পূর্ণ সম্প্রচারে রয়েছে ৩৬টি চ্যানেল। ১৪টি রয়েছে সম্প্রচারের অপেক্ষায়। এর বাইরে অনুমোদিত আইপি টিভির [ইন্টারনেট প্রোটোকল টেলিভিশন] সংখ্যা ১৫। এই অর্ধশতাধিক চ্যানেলের মধ্যে বিশেষায়িত চ্যানেল হাতে গোনা কয়েকটি।

আর বিনোদনের বিশেষায়িত চ্যানেল তো শূন্য।
অগত্যা মানুষকে অন্তর্জাল আর বিদেশি বিনোদনেই চোখ রাখতে হয়। ঘণ্টায় ঘণ্টায় সংবাদ পরিবেশন, তার মধ্যে একটু পর পর বিজ্ঞাপন প্রচার, স্ক্রিনজুড়ে বিজ্ঞাপন আর খবরের বুলেটিন। দর্শকও ঠিক বুঝে উঠতে পারে না, বিনোদনটা কোথায়! স্বাধীনতার অর্ধশত বছর পেরিয়ে দেশে এখনো উপযুক্ত কোনো বিনোদনভিত্তিক চ্যানেল নেই। যেসব চ্যানেল বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান প্রচার করে, তারাও হারিয়ে ফেলেছে গ্রহণযোগ্যতা। বিটিভি যুগের ‘সংশপ্তক’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘নক্ষত্রের রাত’—এর মতো ধারাবাহিক নাটক কিংবা ‘নতুন কুঁড়ি’, ‘ইত্যাদি’, ‘শুভেচ্ছা’র মতো অনুষ্ঠান নিয়ে এখনো মানুষ আলোচনা করে। বেসরকারি চ্যানেলেও ‘রমিজের আয়না’, ‘রঙের মানুষ’, ‘এফএনএফ’, ‘হাউজফুল’, ‘হাড়কিপ্টে’, ‘সাকিন সারিসুরি’র মতো ধারাবাহিক মানুষের মন জয় করেছিল।

রিয়ালিটি শো হিসেবে ‘ক্লোজআপ ওয়ান তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’, ‘সেরাকণ্ঠ’, ‘পাওয়ার ভয়েজ’ আয়োজনগুলো ঘিরে ছিল দর্শকের বিপুল আগ্রহ। সর্বশেষ ‘বাংলাদেশি আইডল’-এর পর কোনো রিয়ালিটি শো দর্শকের মনোযোগ আকৃষ্ট করতে পারেনি। এসবের ফাঁকে বিদেশি সিরিয়ালের বাংলা ডাবিং আলাদা দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। অতীতের ‘ম্যাকগাইভার’ থেকে ‘আলিফ লায়লা’ কিংবা সাম্প্রতিক সময়ের ‘সুলতান সুলেমান’ নিয়ে মানুষের আগ্রহ স্পষ্ট। তবু বিনোদন নিয়ে চ্যানেলগুলোর অনীহা দিনের মতোই স্পষ্ট।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট