বাগমারা প্রতিনিধি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত রাজশাহী-৪ (বাগমারা)।তবে নানা জটিলতা,বিভাজন ও রাজনৈতিক দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যেও বাগমারা জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এক নাম ডা.আব্দুল বারী সরদার।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এই প্রার্থী বর্তমানে এলাকায় আপামর জনগণের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।সাধারণ মানুষের ভাষ্য,দীর্ঘদিনের পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি,মানবিক চিকিৎসা সেবা,পরোপকারমূলক কর্মকাণ্ড এবং সহজ-সরল জীবনযাপন সব মিলিয়ে ডা.বারী আজ বাগমারার মানুষের এক অনন্য আস্থা।এদিকে একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে শুরু থেকেই ছিল আলোড়ন।একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীর প্রতিযোগিতার কারণে দলীয় শিবিরে দেখা দেয় ভাঙন।শেষ পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেও তাকে ঘিরে দলের ভেতরে ঐক্য গড়ে ওঠেনি।বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা জানিয়েছেন“একতা ছাড়া নির্বাচনে শক্ত অবস্থান তৈরি হয় না।দলের অভ্যন্তরীণ সংকট কাটাতে না পারলে মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কঠিন হবে।”এতে ধানের শীষের ভোটজোয়ার মন্থর হয়ে পড়েছে বলেও আভাস পাওয়া যায়।অন্যদিকে সব দলের মানুষকে নিজের করে নেওয়ার বিরল ক্ষমতা রয়েছে ডাঃ আব্দুল বারীর মধ্যে।ডা.আব্দুল বারীর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দলমতের ঊর্ধ্বে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। চিকিৎসক হিসেবে তার মানবিক সুনাম বহু বছরের।বহু পরিবার জানিয়েছেন “রাত-বিরাতে ফোন দিলে তিনি ছুটে আসেন, আর্থিকভাবে অসচ্ছলদের চিকিৎসা দেন বিনন পয়সায়।”এলাকার রফিকুল ইসলাম নামে এক শিক্ষক বলেন,রাজনীতি তার কাছে ক্ষমতা নয়,বরং মানুষের সেবা করার মাধ্যম।এজন্যই দল মত নির্বিশেষে সবাই তাকে ভালোবাসে।”১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় জোরালো উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে ডাঃ আব্দুল বারীর।বাগমারা উপজেলার বিশাল মাঠপর্যায়ে এখন প্রতিদিনই দেখা যায় ডা. বারীর সরাসরি জনগণের সংস্পর্শ।গ্রাম থেকে গ্রাম,হাট থেকে বাজার তিনি মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন,অভিযোগ শুনছেন, প্রয়োজনীয় সহায়তা করছেন,আবার তাদের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও জানাচ্ছেন।স্থানীয় ভোটারদের মতে,যুব সমাজের বড় অংশ তার পক্ষে প্রবীণদের আস্থা বেশি,কৃষক ও খেটেখাওয়া মানুষের ভোটভিত্তি শক্ত হচ্ছে, চিকিৎসা সেবার কারণে মহিলাদের মধ্যেও প্রভাব বাড়ছে।জনপ্রিয়তার পেছনে যে কারণগুলো সবচেয়ে বেশি কাজ করছে,মানবিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচিতি,বিনামূল্যে চিকিৎসা, দরিদ্র মানুষের জন্য ওষুধ সরবরাহ,নির্লোভ চরিত্র ব্যক্তিগত স্বার্থে কখনো পদ ব্যবহার না করা,শান্ত স্বভাব ও সহজ-সরল জীবন,ভদ্রতা ও আচরণে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি।সবার সাথে নিবিড় সম্পর্ক।বিরোধ মিটিয়ে দেওয়া,সামাজিক কাজে নেতৃত্ব। উন্নয়ন পরিকল্পনায় রাস্তাঘাট,স্কুল,মসজিদ,মন্দিরসহ অবকাঠামো উন্নয়নে সুস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি।বাগমারার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ অভ্যন্তরীণ বিরোধে দুর্বল হয়েছে বিএনপি।দুই পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়নগুলোর মাঠ প্রচারণায় এগিয়ে গেছেন ডা. বারী।মানুষের আস্থা ও চিকিৎসা সেবা তাকে দিয়েছে বাড়তি মূল্য এই নতুন সমীকরণ নির্বাচনী মাঠে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।সব মিলিয়ে বাগমারা জুড়ে এখন জনগণের আস্থার প্রতীক প্রতিটি ক্ষেত্রে,প্রতিটি আলোচনা,প্রতিটি চায়ের আড্ডায় বারবার ভেসে আসছে একটাই নাম ডা. আব্দুল বারী সরদার।উপজেলা জামায়াতের আমীর কামরুজ্জামান হারুন বলেন,বাগমারার মানুষ পরিবর্তন ও উন্নয়নের রাজনীতি চায়। সেই প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে আমরা একজন সৎ,শিক্ষিত ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকে মনোনীত করেছি।আমাদের এমপি প্রার্থী ডাঃ আব্দুল বারী সরদার জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন তাঁর সততা, মানবিকতা ও এলাকার উন্নয়নে দীর্ঘদিনের আন্তরিক কাজের মাধ্যমে।আমরা বিশ্বাস করি,জনসমর্থন নিয়েই তিনি আগামী নির্বাচনে বাগমারাকে একটি আদর্শ ও সমৃদ্ধ এলাকায় রূপান্তরিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।ডা. আব্দুল বারী বলেন, বাগমারায় শান্তি, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই আমার লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে বাগমারায় অধিকার বঞ্চিত হবে না মানুষ। যার যা অধিকার তাকে তা প্রদান করা হবে।সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ,ঘুষ,দুর্নীতি এবং অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার রাজনীতি।