মোঃ আলম, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।
ধারাবাহিক তৃতীয় পর্বের অনুসন্ধানী নিউজের এটি দ্বিতীয় পর্বঃ
লালমনিরহাটের সীমান্তবর্তী দুর্গাপুরে গরু পাচার ও ভারতীয় নাগরিক ‘পুশ-ইন’-এর অভিযোগ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ২ ডিসেম্বর “সংবাদ এই সময়ে” প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে এপাসি ফারুকসহ চারজনের নাম, যারা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
এর পরপরই “সময় এই সংবাদ”–এর কাছে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় এপাসি ফারুক সিন্ডিকেটের বিস্তারিত নাম প্রকাশ করেন। ভিডিওতে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে—ফটিক, ফারুক, ঝন্টু, রানা, সবুজ, বীরত্ত, বাট্টু ও পেনকাটু। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই ব্যক্তিরা লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এই সিন্ডিকেট গরু পাচার, ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশ-ইন এবং সীমান্ত অর্ধে নানা অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। ফলে শুধু সীমান্ত নিরাপত্তা নয়, সামাজিক শান্তিও বিপন্ন হচ্ছে।
এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেছেন, “প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা না হলে, এই ধরনের অপরাধ রুখে দেওয়া সম্ভব নয়।” তারা সতর্ক করেছেন, সীমান্তে অবৈধ কার্যক্রমে চোখ বোলানো হলে সমাজে অস্থিতিশীলতার মাত্রা আরও বেড়ে যাবে।
এদিকে প্রশাসন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয়দের দাবী, দ্রুত অভিযান ও আইনি ব্যবস্থা ছাড়া দুর্গাপুরের এই অবৈধ সিন্ডিকেট বন্ধ করা কঠিন।