বরিশাল প্রতিনিধি:
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের গোডনডা গ্রামের অপমৃত্যু নিয়ে ধুম্রজালে সৃষ্টি হয়েছে। হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে নাটকীয়তার দানা বেধেছে ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্য। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ওই ইউনিয়নের গোডনডা গ্রামের ফারুক খানের পুত্র, আলামিনের সাথে ২০১০ সনে পারিবারিক বন্ধনে বিবাহ আবদ্ধ হয়। সুখ শান্তিতে চলতেছিল তার সংসার। তার স্বামী আল আমিনের পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয় তাকে মারধর করা হতো। এ নিয়ে শুরু হয় সংসারে কলহ। এর জের ধরে গত শনিবার বিকালে গোয়াল ঘরের আড়ার সাথে দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। ওই বাসার গৃহকর্মী হৃদয় জানান, আমি আড়ার সাথে ঝুলন্ত দেখতে পেয়ে সবাইকে জানাই এবং রশি কেটে দিয়ে নলছিটি হাসপাতাল নিয়ে যাই। ডাক্তার গৃহবধূ নারগিসকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। নলছিটি থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সূরাতুল রিপোর্টের জন্য মর্গে পাঠায়।এ ব্যাপারে নার্গিসের মা এবং বোন দাবি করেন, তার মেয়েকে অমানুষিক নির্যাতন করে,মৃত্যুর কোলে ফেলে দেয়। মৃত্যু নিশ্চিতের পর তাকে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়।
এ ব্যাপারে নলছি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সাইফুল ইসলাম বলেন, অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে, হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে তদন্ত চলছে। সুরাতাল রিপোর্টের পরে জানা যাবে হত্যা না আত্মহত্যা। মামলার তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।