লাইফস্টাইল ডেস্ক
দেশের আবহাওয়ার কারণে ডেঙ্গুর দোসর হয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা। আর সাধারণ সর্দি-কাশি ও জ্বর তো লেগেই আছে। পেটের সমস্যাও বাড়ছে শিশুদের। খামখেয়ালি আবহাওয়ায় ভাইরাস-ব্যাক্টেরিয়াদের দাপট প্রতিনিয়ত বাড়ছে। শীতের এই সময়ে সর্দি-কাশির অ্যাডিনোভাইরাস ও রাইনোভাইরাসের উপদ্রব বেড়েছে। ফলে জ্বরের সঙ্গে শ্বাসের সমস্যাও ভুগছে আপনার শিশু। শ্লেষ্মা জমছে। এর ফলে মুখের স্বাদও চলে যাচ্ছে অনেকের। লাগাতার জ্বর কিংবা সর্দিতে ভুগলে এমনিতেই খাওয়াদাওয়ায় অরুচি চলে আসে। শিশুরা কিছু খেতেই চায় না। কিন্তু বাবা-মায়েদের খেয়াল রাখতে হবে ওষুধের সঙ্গে পথ্যও জরুরি। তাই এমন খাবার খাওয়াতে হবে, যা খেলে শিশু দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। ওদের রোগপ্রতিরোধ শক্তিও দ্রুত বাড়ে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, জ্বরের সময়ে যা খাওয়ানো উচিত শিশুকে—
১. খিচুড়ি (সহজ খাবার)
ডালিয়ার খিচুড়ি, ওটস ও রাগি দিয়ে তৈরি খিচুড়ি শিশুর জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার। আপনার ভাতের সঙ্গে চিকেন স্ট্যু এবং পাতলা করে রান্না করা মাছের ঝোল খাওয়াতে পারেন। মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টি-বায়োটিক। গলাব্যথা বা কাশি কমাতেও সাহায্য করে। সামান্য গরম পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে।
২. চিকেন-সবজির স্যুপ
একটা বড় বাটিতে চিকেন ভালো করে সেদ্ধ করুন। এরপর চিকেন পানি থেকে তুলে নিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিন। গাজর, পেঁয়াজ ও রসুন কুচিয়ে ফুটন্ত পানির মধ্য দিয়ে দিন। এর মধ্যে পার্সলে, লবণ ও গোলমরিচ দিন। যতক্ষণ না সব সবজি ভালোমতো সেদ্ধ হচ্ছে ,ফোটাতে থাকুন। এবার তাতে পালংশাক, মাশরুম ও ব্রকোলি দিন। এর মধ্যে ফেটানো ডিম দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। আঁচ থেকে নামিয়ে গোলমরিচ ছড়িয়ে গরম গরম খাওয়ান।
৩. মসুর ডালের স্যুপ
প্রোটিনের জন্য এই স্যুপ খাাওয়াতে পারেন শিশুকে। প্রথমে মসুর ডাল ভালো করে ধুয়ে নিয়ে একটি পাত্রে ভিজিয়ে রাখুন। পছন্দমতো সবজি ছোট ছোট করে কেটে নিন। এবার প্রেশারকুকারে সামান্য ঘি দিয়ে তার মধ্যে পেঁয়াজ, আদা, টোমেটো, কুটানো সবজি এবং ভেজানো ডাল একসঙ্গে সেদ্ধ করতে দিন। সঙ্গে লবণ ও গোলমরিচ দিতে ভুলবেন না। প্রেশারকুকারে দুটো সিটি উঠলেই নামিয়ে ফেলুন। ছেঁকে নিয়ে ওপর থেকে গোলমরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্যুপ।
৩. প্রোটিন জরুরি
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, যেমন ডিমের সাদা অংশ, মাছ, মুরগির মাংস চর্বি বাদ দিয়ে, দুধ-দই ও নিরামিষের মধ্যে ছোলা, মসুর ডাল, সয়াবিন ও নানা রকম বাদাম খেতে পারেন।